মসজিদুল আকসায় এক বৈঠকে কোরআন খতম করলেন ফিলিস্তিনি যুবক

‘বাইতুল মাকদিসের (মসজিদুল আকসা) নামাজ পাঁচ শ নামাজের সমতুল্য।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
কোরআন খতমকারী যুবকের নাম মোহাম্মদ মাহমুদ সালামাহ
কোরআন খতমকারী যুবকের নাম মোহাম্মদ মাহমুদ সালামাহ |সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের মসজিদুল আকসা মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় পবিত্রতম মসজিদ। একটা সময় এদিকে ফিরেই নামাজ আদায় করতেন বিশ্বের সকল মুসলিম। অতি গুরুত্বপূর্ণ এই মসজিদেই এক বৈঠকে সম্পূর্ণ কোরআন মুখস্থ খতম করেছেন ফিলিস্তিনি এক যুবক।

গত মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) আলজাজিরা কুদস জানিয়েছে, ওই যুবকের নাম মোহাম্মদ মাহমুদ সালামাহ। তার বাড়ি অধিকৃত অঞ্চলের মাজদ আল কারামে।

মোহাম্মদ সালামাহ এক বৈঠকেই আল আকসায় সম্পূর্ণ কোরআনে কারিম মুখস্থ খতম করেছেন। আরবি একটি সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে- সকাল ৯টা থেকে তিনি কোরআন তেলাওয়াত শুরু করেন এবং মাগরিবের সময় তার খতম সম্পন্ন হয়।

এ সময় কোরআন শিক্ষা নিয়ে কাজ করা ‘আল ফুরকান’ সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মসজিদুল আকসা ইসলামে অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি মসজিদ। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘পবিত্র সেই সত্তা, যিনি নিজ বান্দাকে রাতারাতি মসজিদে হারাম থেকে মসজিদে আকসায় নিয়ে যান, যার চারপাশকে আমি বরকতময় করেছি, তাকে আমার কিছু নিদর্শন দেখানোর জন্য। নিশ্চয়ই তিনি সব কিছুর শ্রোতা, সব কিছুর জ্ঞাতা।’ (সূরা বনী ইসরাঈল, আয়াত : ১)

হাদীস শরীফেও এই মসজিদের ফজিলত সম্পর্কে একাধিক বর্ণনা পাওয়া যায়। রাসূল সা: বলেছেন, ‘মসজিদে হারামের নামাজ এক লাখ নামাজের সমতুল্য। আমার মসজিদে (মসজিদে নববীতে) নামাজ এক হাজার নামাজের সমতুল্য। আর বাইতুল মাকদিসের (মসজিদুল আকসা) নামাজ পাঁচ শ নামাজের সমতুল্য।’ (বায়হাকি শরীফ, হাদীস : ৩৮৪৫)

হাদীস শরীফে আরো এসেছে, ‘রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় কাবাকে সামনে রেখে বাইতুল মাকদিসের দিকে ফিরে নামাজ আদায় করতেন। মদীনায় হিজরতের পরও ষোলো মাস বাইতুল মাকদিসের দিকে ফিরেই নামাজ আদায় করেছেন। অতঃপর কেবলা কাবার দিকে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমাদ, হাদীস : ২৯৯১)