গাজায় ত্রাণ কেন্দ্রের আশপাশের এলাকাকে ‘যুদ্ধক্ষেত্র’ ঘোষণা ইসরাইলের

মঙ্গলবার জিএইচএফের বিতরণ কেন্দ্রে ত্রাণ নিতে যাওয়া ফিলিস্তিনিদের ওপর গুলি চালায় ইসরাইলি বাহিনী। এতে ২৭ জন নিহত হন। এটি ত্রাণকেন্দ্রে গুলির তৃতীয় প্রাণঘাতী ঘটনা।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ত্রাণ কেন্দ্রে যাওয়ার সড়কগুলোকে ‘যুদ্ধ এলাকা’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে ইসরাইলের সামরিক বাহিনী ঘোষণা দিয়েছে। ঘোষণার পর গাজার ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রগুলো বুধবার (৪ জুন) বন্ধ রাখা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল সমর্থিত সংস্থা বিতর্কিত ত্রাণ বিতরণ সংস্থা গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ) বলছে, কাজের মান ও দক্ষতার উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রগুলো বন্ধ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার জিএইচএফের বিতরণ কেন্দ্রে ত্রাণ নিতে যাওয়া ফিলিস্তিনিদের ওপর গুলি চালায় ইসরাইলি বাহিনী। এতে ২৭ জন নিহত হন। এটি ত্রাণকেন্দ্রে গুলির তৃতীয় প্রাণঘাতী ঘটনা।

জাতিসঙ্ঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের মুখপাত্র জেমস এলডার জিএইচএফের সমালোচনা করে বলেন, সংস্থাটি সাহায্য দেয়ার ভান করছে।

বিবিসি রেডিও ফোরকে তিনি বলেন, গাজায় সাহায্য পাওয়ার জন্য মানুষকে ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার হাঁটতে হচ্ছে।

’তারা মানুষকে সাহায্য দেয়ার দাবি করছে। কিন্তু এটা যতটা দরকার তার ধারেকাছেও না। বড় সংস্থাগুলোর দিনে ৫০০ থেকে ৬০০ ট্রাক ত্রাণ দেয়া দরকার। বিপরীতে দিনে মানুষ পাচ্ছে ৫০০ থেকে ৬০০টি বাক্স,’ বলেন তিনি।

এদিকে খান ইউনিসে বাস্তুহারা মানুষের শিবির হিসেবে ব্যবহৃত একটি স্কুলে ইসরাইলের হামলায় ১২ জন ফিলিস্তিনির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

সূত্র : বিবিসি