ইরানের ওপর ট্রাম্পের ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ প্রত্যাখ্যান চীনের

বেইজিং জানিয়েছে, নতুন করে আবার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে তা চলমান বৈশ্বিক বা কূটনৈতিক সংকট সমাধানে কোনো ভূমিকা রাখবে না।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান |সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানবিরোধী ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ বা সর্বাত্মক অর্থনৈতিক যুদ্ধের তীব্র বিরোধিতা ও সমালোচনা করেছে চীন। বেইজিং জানিয়েছে, নতুন করে আবার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে তা চলমান বৈশ্বিক বা কূটনৈতিক সংকট সমাধানে কোনো ভূমিকা রাখবে না।

আল জাজিরা বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জানিয়েছে, বেইজিংয়ে আয়োজিত এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বেইজিংয়ের এই অবস্থানের কথা স্পষ্ট করেন। মূলত, কোনো দেশের ওপর চালানো চূড়ান্ত অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক অবরোধকে সামরিক রূপকে ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ বলা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিন জিয়ান বলেন, 'কারো ওপর জোর করে নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দেওয়া কিংবা অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করা সমস্যার কোনো টেকসই সমাধান আনে না। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানাচ্ছে চীন। একমাত্র কূটনৈতিক আলোচনা ও রাজনৈতিক সমাধানের পথেই এই জটিলতার নিরসন সম্ভব।'

ট্রাম্পের প্রস্তাবিত এই চরম অর্থনৈতিক পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে তার সবচেয়ে বড় ধাক্কা আসবে চীনের ওপর। কারণ, বাজার বিশ্লেষক সংস্থা কেপলারের ২০২৫ সালের উপাত্ত অনুযায়ী, ইরান থেকে সমুদ্রপথে রপ্তানি হওয়া মোট খনিজ তেলের ৮০ শতাংশের বেশি একা চীনই কিনে থাকে। বেইজিং মনে করে, অর্থনৈতিকভাবে কোণঠাসা করার এই নীতি কেবল আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতাই বাড়াবে।