মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকটিতে পুনরায় ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। এই সংকট সমাধানে কাতার সম্ভাব্য সমস্ত কূটনৈতিক চ্যানেল ব্যবহার করছে এবং আঙ্কারা দোহার সাথে নিবিড়ভাবে সমন্বয় করে কাজ করছে বলে তিনি জানান।
কাতার সফরে গিয়ে কাতার টিভিকে দেয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ফিদান বলেন, 'আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে কাতার আবারো সব ধরণের গঠনমূলক পদ্ধতি এবং উপলব্ধ চ্যানেল ব্যবহার করে এই সংকট সমাধানের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছে। আশা করছি, আগামী দিনগুলোতে আমরা ভালো কোনো খবর পাবো।' তিনি আরো যোগ করেন, 'এই ইস্যুতে তুরস্কও কাতারের সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছে।'
ফিদান সতর্ক করে বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার বৈরিতা আঞ্চলিক অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সংঘাত আরো ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হলে তা এই অঞ্চলে বাড়তি অস্থিরতার জন্ম দিতে পারে। এ অঞ্চলের অবকাঠামোতে হামলার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন।
তিনি বলেন, “আমাদের প্রত্যাশা হলো ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যত দ্রুত সম্ভব আবারো একটি চুক্তি হোক। আপনারা জানেন, পাকিস্তানের মধ্যস্থতা, কাতারের নিবিড় অবদান এবং তুরস্কের সমর্থনে একটি সমঝোতা স্মারক তৈরি হয়েছিল। কিন্তু পরে আমরা সেই অবস্থান থেকে দূরে সরে এসেছি। এখন আমাদের আবারো সেখানে ফিরে যাওয়া দরকার।”
কাতারে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকগুলোতেও এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে ফিদান দোহার কূটনৈতিক প্রচেষ্টার প্রতি তুরস্কের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, কাতারের নিরাপত্তা ও শান্তি এবং এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা তুরস্কের স্বার্থের সাথে জড়িত।
তুরস্ক ও কাতারের সম্পর্ককে একটি শক্তিশালী কৌশলগত অংশীদারিত্ব হিসেবে উল্লেখ করে ফিদান বলেন, কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানি এই সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, যিনি গত রোববার মারা যান। তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে ফিদান তাকে পুরো ইসলামিক বিশ্বের একজন দূরদর্শী নেতা হিসেবে আখ্যা দেন। বর্তমান আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানিরও প্রশংসা করেন তিনি।
ফিদান বলেন, লেবানন, আফগানিস্তান, সুদান, গাজা, ফিলিস্তিন এবং ইরান ইস্যুতে তুরস্ক-কাতার সহযোগিতার অনন্য উদাহরণ পুরো অঞ্চলে প্রশংসিত হচ্ছে। এই অঞ্চলে প্রতিযোগিতার চেয়ে গঠনমূলক সহযোগিতার বেশি প্রয়োজন এবং কাতার সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে। একই সাথে কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও ওমানের মতো উপসাগরীয় দেশগুলোর অগ্রগতির প্রশংসা করেন তিনি।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকটিতে পুনরায় ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। এই সংকট সমাধানে কাতার সম্ভাব্য সমস্ত কূটনৈতিক চ্যানেল ব্যবহার করছে এবং আঙ্কারা দোহার সাথে নিবিড়ভাবে সমন্বয় করে কাজ করছে বলে তিনি জানান।
কাতার সফরে গিয়ে কাতার টিভিকে দেয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ফিদান বলেন, 'আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে কাতার আবারো সব ধরণের গঠনমূলক পদ্ধতি এবং উপলব্ধ চ্যানেল ব্যবহার করে এই সংকট সমাধানের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছে। আশা করছি, আগামী দিনগুলোতে আমরা ভালো কোনো খবর পাবো।' তিনি আরো যোগ করেন, 'এই ইস্যুতে তুরস্কও কাতারের সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছে।'
ফিদান সতর্ক করে বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার বৈরিতা আঞ্চলিক অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সংঘাত আরো ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হলে তা এই অঞ্চলে বাড়তি অস্থিরতার জন্ম দিতে পারে। এ অঞ্চলের অবকাঠামোতে হামলার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন।
তিনি বলেন, “আমাদের প্রত্যাশা হলো ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যত দ্রুত সম্ভব আবারো একটি চুক্তি হোক। আপনারা জানেন, পাকিস্তানের মধ্যস্থতা, কাতারের নিবিড় অবদান এবং তুরস্কের সমর্থনে একটি সমঝোতা স্মারক তৈরি হয়েছিল। কিন্তু পরে আমরা সেই অবস্থান থেকে দূরে সরে এসেছি। এখন আমাদের আবারো সেখানে ফিরে যাওয়া দরকার।”
কাতারে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকগুলোতেও এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে ফিদান দোহার কূটনৈতিক প্রচেষ্টার প্রতি তুরস্কের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, কাতারের নিরাপত্তা ও শান্তি এবং এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা তুরস্কের স্বার্থের সাথে জড়িত।
তুরস্ক ও কাতারের সম্পর্ককে একটি শক্তিশালী কৌশলগত অংশীদারিত্ব হিসেবে উল্লেখ করে ফিদান বলেন, কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানি এই সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, যিনি গত রোববার মারা যান। তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে ফিদান তাকে পুরো ইসলামিক বিশ্বের একজন দূরদর্শী নেতা হিসেবে আখ্যা দেন। বর্তমান আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানিরও প্রশংসা করেন তিনি।
ফিদান বলেন, লেবানন, আফগানিস্তান, সুদান, গাজা, ফিলিস্তিন এবং ইরান ইস্যুতে তুরস্ক-কাতার সহযোগিতার অনন্য উদাহরণ পুরো অঞ্চলে প্রশংসিত হচ্ছে। এই অঞ্চলে প্রতিযোগিতার চেয়ে গঠনমূলক সহযোগিতার বেশি প্রয়োজন এবং কাতার সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে। একই সাথে কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও ওমানের মতো উপসাগরীয় দেশগুলোর অগ্রগতির প্রশংসা করেন তিনি।



