কাতারে মার্কিনীদের সাথে বৈঠকে বসছে না ইরান

হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এ বৈঠক নিয়ে ব্যাপক ঢাকঢোল পেটানো হলেও কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মঙ্গলবার (৩০ জুন) স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন যে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কোনো উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।

নয়া দিগন্ত অনলাইন

কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের সাথে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের দোহায় এক বিশেষ বৈঠকে বসার কথা থাকলেও সেখানে তেহরানের কোনো উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি উপস্থিত থাকছেন না।

হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এ বৈঠক নিয়ে ব্যাপক ঢাকঢোল পেটানো হলেও কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মঙ্গলবার (৩০ জুন) স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন যে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কোনো উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।

ইরানের পক্ষ থেকেও দৃঢ়ভাবে বলা হয়েছে, আমেরিকানদের কাতার সফরের সাথে তাদের কারিগরি প্রতিনিধি দলের সফরের কোনো সম্পর্ক নেই এবং আগামী দিনগুলোতে মার্কিনদের সাথে কোনো পর্যায়েই আলোচনার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই। পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক এক্সপ্রেস ট্রিবিউন এই খবর জানিয়েছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন একের পর এক ডিপ্লোমেটিক চাল চালার চেষ্টা করছে, তখন ওভাল অফিসে বসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গণমাধ্যমকে শুনিয়েছেন তার চিরচেনা ফাঁকা বুলি। ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, দোহা বৈঠকটি গুরুত্বপূর্ণ হতেও পারে, আবার নাও হতে পারে, তবে সামরিক দিক দিয়ে নাকি তারাই জিতেছেন। সাথে আবারও সেই পুরনো গান গেয়েছেন যে, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখতেই হবে। অথচ ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকেই পরিষ্কার করে দিয়েছেন যে, এই সপ্তাহে কাতারে আমেরিকানদের সাথে তাদের কোনো আলোচনা নির্ধারিতই ছিল না। আসলে গত সপ্তাহের শেষে দুই পক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র বিনিময়ের পর গত ১৭ জুনের অন্তর্বর্তীকালীন যুদ্ধবিরতি চুক্তি এমনিতেই বেশ নাজুক অবস্থায় পড়েছে। আর এই উত্তেজনার মাঝেই ট্রাম্প তার জামাতা কুশনার ও দূত উইটকফকে কাতারে পাঠাচ্ছেন।

সূত্র : দি এক্সপ্রেস ট্রিবিউন