ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় যুদ্ধ বন্ধ ও হামাসের হাতে আটক পণবন্দীদের মুক্তির জন্য একটি চুক্তির দাবিতে রোববার (১৭ আগস্ট) ইসরাইলজুড়ে বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় নেমে এসেছে। এদিকে ইসরাইলি সেনাবাহিনী গাজায় নতুন আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
তেল আবিব থেকে এএফপি জানিয়েছে, ইসরাইলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা গাজা সিটি দখলের পরিকল্পনা অনুমোদন করার এক সপ্তাহেরও বেশি সময় পর এই বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। ২২ মাস ধরে চলমান যুদ্ধের পর ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
তেল আবিবের হোস্টেজ স্কোয়ারে গাজায় আটক অবশিষ্ট পণবন্দীদের প্রতিকৃতি দিয়ে ঢাকা একটি বিশাল ইসরাইলি পতাকা উত্তোলন করা হয়। স্থানীয় মিডিয়া ফুটেজে দেখা গেছে, বিক্ষোভকারীরা তেল আবিব ও জেরুসালেমকে সংযোগকারী মহাসড়কসহ নগরীর বেশ কয়েকটি রাস্তা অবরোধ করে রেখেছে। বিক্ষোভকারীরা সেখানে টায়ারে আগুন ধরিয়ে দেয় ও যানজটের সৃষ্টি করে।
বিক্ষোভ, সংগঠক ও পণবন্দীদের পরিবারের প্রতিনিধিত্বকারী প্রধান দলও রোববার সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে।
গাজা শহর ও এর কাছাকাছি শরণার্থী শিবিরে যুদ্ধ সম্প্রসারণে ইসরাইলি পরিকল্পনাকে নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্ষোভের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ বিরোধিতারও জন্ম দিয়েছে। জাতিসঙ্ঘ-সমর্থিত বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এই অঞ্চলে ব্যাপক দুর্ভিক্ষ দেখা দিচ্ছে।
ইসরাইল তার অনুমোদিত মানবিক সাহায্যের পরিমাণ ব্যাপকভাবে হ্রাস করেছে। গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, ইসরাইলি সেনারা শনিবার বিতরণ স্থানের কাছে খাদ্য সহায়তা সংগ্রহের জন্য অপেক্ষা করার সময় কমপক্ষে ১৩ জন ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা করেছে।
সূত্র : বাসস



