স্পেশাল ইউরেশিয়া ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইলের চাপিয়ে দেয়া সাম্প্রতিক যুদ্ধের পেছনে পর্দার অন্তরালের কিছু লক্ষ্য তুলে ধরেছেন।
পার্সটুডে জানিয়েছে, স্পেশাল ইউরেশিয়া ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক সিলভিয়া বোল্টুক সোমবার ইরানি কূটনীতিকের সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেছেন যে ইরান, গাজা ও লেবাননের বিরুদ্ধে ইসরাইরে সাম্প্রতিক আগ্রাসন শ্রেফ কোনো সামরিক আগ্রাসন নয়। বরং এসবের পেছনে মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, এ অঞ্চলের জ্বালানি সম্পদের উপর আধিপত্য বিস্তার, দেশ দখল এবং সরকার উৎখাতের একটি বৃহত্তর নকশার অংশ।
তার মতে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি লাভে বাধা দিয়ে তেল আবিব মূলত ভূমধ্যসাগরের গ্যাস সম্পদের উপর তার একচেটিয়া অধিকার প্রতিষ্ঠা করা এবং নতুন বিশ্বব্যবস্থায় তার অবস্থান সুসংহত করার চেষ্টা করছে।
ইসরাইলের অপকর্মের ব্যাপারে পশ্চিমাদের নীরবতার তীব্র সমালোচনা করে বোল্টুক ইউরোপকে এই অপরাধের অংশীদার এবং ইসরাইলকে এই অঞ্চলে পশ্চিমা স্বার্থের ভিত্তি হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন।
তিনি পশ্চিমা গণমাধ্যমের পক্ষপাতদুষ্ট বর্ণনা এবং ভিত্তিহীন নীতিকে ন্যায্যতা দেয়ার জন্য জনমতকে ধোকা দেয়ার প্রচেষ্টার সমালোচনা করেন এবং পারমাণবিক উত্তেজনা বৃদ্ধি, আইন বাস্তবায়নে দ্বিমুখী নীতি এবং দীর্ঘমেয়াদী অস্থিতিশীলতার পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করে দেন।
ইরান ও গাজায় বেসামরিক নাগরিকদের হত্যার কথা উল্লেখ করে, ইতালীয় বিশ্লেষক অপরাধীদের বিচার এবং মানুষের বিবেককে ঠান্ডা ভূ-রাজনৈতিক গণনায় ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানান।
সূত্র : পার্সটুডে



