ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি সত্ত্বেও ইসরাইলি বাহিনীর পৃথক দু’টি হামলায় বৃহস্পতিবার (২৯ মে) লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে দুইজন নিহত হয়েছেন। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
রাষ্ট্র পরিচালিত লেবাননের বার্তাসংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননে একাধিক এলাকায় ইসরাইল বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ করেছে।
এদিকে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, দক্ষিণাঞ্চলীয় নাবাতিয়েহ আল-ফওকার একটি বনাঞ্চলে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় এক ব্যক্তি নিহত হন। অন্যদিকে, সীমান্তবর্তী শহর কেফার কিলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান আরো একজন।
অপরদিকে ইসরাইলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, তারা দক্ষিণ লেবাননে এক হিজবুল্লাহর এক সদস্যকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। ইসরাইল অভিযোগ, ওই ব্যক্তি হিজবুল্লাহর ‘অগ্নি ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা’ পরিচালনার ব্যবহৃত একটি স্থাপনা পুনরায় সক্রিয় করার চেষ্টা করছিলেন।
পরে সেনাবাহিনী আরো জানায়, তারা লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় হিজবুল্লাহর বেশ কয়েকটি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। সংগঠনটি সেখানে পুনরায় অস্ত্র স্থাপন করতে চাইছে বলে অভিযোগ তেল আবিবের।
তবে কেফার কিলায় গুলিতে নিহতের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি নেতানিয়াহু সরকার।
লেবাননের বার্তা সংস্থা আরো জানায়, নাবাতিয়েহ আল-ফওকার নিহত ব্যক্তি পৌর কর্মচারী ছিলেন। তিনি স্থানীয়ভাবে কূপ মেরামতের কাজ করছিলেন, তখন তার মোটরসাইকেল লক্ষ্য করে হামলাটি চালানো হয়।
গত ২০২৩ সালের নভেম্বরে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী, দক্ষিণ লেবাননে কেবল জাতিসঙ্ঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী এবং দেশটির সেনাবাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। কিন্তু ইসরাইল এখনো সেখানে পাঁচটি এলাকায় নিজেদের উপস্থিতি বজায় রেখেছে, যেগুলোকে তারা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে।
সূত্র : বাসস



