আল-আকসায় ইহুদিদের ধর্মীয় বই নিয়ে প্রবেশের অনুমতি দিলো ইসরাইল

ইসরাইলি দখলদার কর্তৃপক্ষ আল-আকসা মসজিদে ইহুদিদের প্রার্থনার ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ শিথিল করেছে। দখলদার পুলিশের অনুমতিতে ইহুদি বসতিস্থাপনকারীরা পবিত্র স্থানটির দখলকৃত আল কুদস অংশে ধর্মীয় বই নিয়ে প্রবেশ করতে পেরেছেন।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
আল-আকসার কাছাকাছি একটি মসজিদ প্রাঙ্গনে ইসরাইলি সেনা-সমাবেশের একটি দৃশ্য
আল-আকসার কাছাকাছি একটি মসজিদ প্রাঙ্গনে ইসরাইলি সেনা-সমাবেশের একটি দৃশ্য |সংগৃহীত

ইসরাইলি দখলদার কর্তৃপক্ষ আল-আকসা মসজিদে ইহুদিদের প্রার্থনার ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ শিথিল করেছে। দখলদার পুলিশের অনুমতিতে ইহুদি বসতিস্থাপনকারীরা পবিত্র স্থানটির দখলকৃত আল কুদস অংশে ধর্মীয় বই নিয়ে প্রবেশ করতে পেরেছেন।

রোববার (১৬ আগস্ট) ইসরাইলি গণমাধ্যম হারেৎস এক ডানপন্থী সাংবাদিক ও কর্মীর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে। ওই ব্যক্তি মুসলিমদের পবিত্র স্থানটিতে তথাকথিত ‘ইহুদি ধর্মীয় স্বাধীনতা’ সম্প্রসারণের চেষ্টা করছেন। আল-আকসা মুসলমানদের প্রথম কিবলা হিসেবে খ্যাত।

ইসরাইলি সাংবাদিক আর্নন সেগেল আল-আকসা প্রাঙ্গণে ইহুদি বসতিস্থাপনকারীদের প্রার্থনা করার একটি ছবি প্রকাশ করেছেন। ছবিতে তাদের সিদ্দুরিম—ইহুদি ধর্মীয় উপাসনার বই—থেকে পাঠ করতে দেখা যায়।

হারেৎসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বসতিস্থাপনকারীদের সামনে মাটিতে তোয়ালে দেখা যায়, যা ইঙ্গিত করে যে তাদের ইহুদি ধর্মীয় উপাসনার আনুষ্ঠানিকতায় সিজদা বা মাটিতে নত হওয়ার অংশও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

সেগেল লিখেছেন, ‘এখনো কোনো সুস্পষ্ট অনুমতি নেই, তবে মধ্যপ্রাচ্য যাতে এ নিয়ে উত্তেজিত হয়ে না যায়, তা নিশ্চিত করার জন্য এটি প্রথম প্রচেষ্টা।’

তিনি ঘটনাটিকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে অভিহিত করেন।

আল-আকসা প্রাঙ্গণের প্রশাসনিক দায়িত্ব জর্ডানের ওয়াকফ কর্তৃপক্ষের অধীনে রয়েছে। ফলে এ ধরনের পদক্ষেপ প্রচলিত স্থিতিশীল অবস্থার রীতি তথা স্ট্যাটাস কো চুক্তি লঙ্ঘন করে।

কয়েক মাস আগে ইসরাইলি দখলদার পুলিশ ইহুদি বসতিস্থাপনকারীদের আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রার্থনার বই নিয়ে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছিল।

ইসরাইলি বসতিস্থাপনকারীরা প্রায়ই আল-আকসা প্রাঙ্গণে জোরপূর্বক প্রবেশ করে এবং সাধারণত ইসরাইলি দখলদার পুলিশের সদস্যরা তাদের নিরাপত্তা ও সহায়তা দিয়ে থাকে।

সূত্র: পার্সটুডে