ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ২৬ হাজার শিশু তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে। শুধু গাজা সিটিতেই এই সংখ্যা ১০ হাজার। তীব্র অপুষ্টিতে ভোগা এসব শিশুদের জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন।
মঙ্গলবার জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন দক্ষিণ গাজার আল-মাওয়াসি জোনের জাতিসঙ্ঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফের মুখপাত্র টেস ইনগ্রাম। একইদিনে ইসরাইল গাজা সিটিতে বড় ধরনের স্থল অভিযান শুরু করে।
তিনি জানান, আগস্টে গাজায় প্রতি আট শিশুর একজন ভয়াবহ অপুষ্টিতে আক্রান্ত ছিল, যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ হার। গাজা সিটিতে এই অনুপাত প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন।
ইনগ্রাম আরো বলেন, গাজা সিটি থেকে পরিবারগুলোর জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি এসব শিশুদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে। পুষ্টি কেন্দ্রগুলো তাদের কার্যক্রম ইসরাইলের সরে যাওয়ার নির্দেশ ও সামরিক অভিযান বৃদ্ধির কারণে বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে।
ইসরাইলি সেনাবাহিনী বলছে, দক্ষিণ গাজার আল-মাওয়াসি এলাকায় আশ্রয় নেয়া মানুষরা খাদ্য, ওষুধ ও তাঁবু পাবেন। তবে দুই বছর ধরে চলমান যুদ্ধে ইসরাইল গাজা উপত্যকার তথাকথিত ‘মানবিক অঞ্চলেই’ ঘন ঘন বোমা হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, তারা সেখানে হামাস যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
এক ইসরাইলি সামরিক কর্মকর্তার মতে, গাজা শহর ও এর আশপাশের এলাকার জনসংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। যা জাতিসঙ্ঘের হিসাব অনুযায়ী, এই সংখ্যাটি দশ লাখ। এদিকে ইনগ্রাম বলেন, ১৪ আগস্ট থেকে প্রায় এক লাখ ৫০ হাজার মানুষ গাজা সিটি থেকে দক্ষিণে গেছেন।
সূত্র : এএফপি



