দক্ষিণ লেবাননের মাজদাল সেলমে শনিবার (১৮ জুলাই) কয়েক ডজন মানুষের গণজানাজার আয়োজন করেছে হিজবুল্লাহ। তাদের বেশিভাগই ইসরাইলের সাথে সাম্প্রতিক সংঘাতে নিহত যোদ্ধা।
ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ গত ২ মার্চ ইসরাইলে হামলা চালিয়ে লেবাননকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলে। তবে সংঘাতে তাদের কতজন যোদ্ধা নিহত হয়েছেন, সে সংখ্যা তারা প্রকাশ করেনি।
তবে ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর সংঘাতে যে বিরতি এসেছে, সেই সময়ের মধ্যে হিজবুল্লাহ কয়েকটি জানাজার আয়োজন করেছে।
ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত মাজদাল সেলম গ্রামে শনিবার ৪৪ জনকে দাফন করা হয়। তাদের মধ্যে ৩৯ জন যোদ্ধা ও চার জন বেসামরিক ব্যক্তি। তাদের ইসরাইলি অভিযানে নিহত বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া একজন স্বাভাবিক কারণে মারা গেছেন।
বার্তাসংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদক দেখেছেন, কফিন বহনকারী ট্রাকগুলো দাফনস্থলের দিকে যাচ্ছে। এ সময় শোকাহত নারীরা নিহতদের ছবি ও ফেব্রুয়ারিতে তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির প্রতিকৃতি বহন করছিলেন।
সংঘাত চলাকালে অনেক লেবাননবাসী শহরে স্বজনদের দাফন করতে পারেননি।
শিয়া মুসলিমদের ধর্মীয় রীতিতে যথাযথ জানাজা আয়োজন সম্ভব না হলে বা মৃত ব্যক্তিকে তার ইচ্ছামতো স্থানে দাফন করা না গেলে, অস্থায়ীভাবে দাফনের বিধান রয়েছে।
হিজবুল্লাহর সমর্থকদের উদ্দেশে দেয়া এক ঘোষণায় বলা হয়, ‘মাজদাল সেলমের শহীদদের বরকতময় জানাজায় অংশগ্রহণের জন্য আপনাদের আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।’
ঘোষণায় নিহতদের নামও উল্লেখ করা হয়।
এর আগে অনলাইনে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া আরেকটি ঘোষণায় ১২৯ জনের নাম ছিল। তবে মাজদাল সেলম পৌরসভা এ সংখ্যাকে ‘ভুল ও ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
সূত্র: বাসস



