আরব আমিরাত উপকূলে তেলবাহী ট্যাঙ্কারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) উপকূলের কাছে একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
জাহাজ চলাচল
জাহাজ চলাচল |সংগৃহীত

সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) উপকূলের কাছে একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। সোমবার (৪ মে) একটি ব্রিটিশ সামুদ্রিক সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে।

একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালীর মধ্য দিয়ে চলাচল করা জাহাজগুলোকে সহায়তা দেবে তারা।

যুক্তরাজ্যের ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, ‘একটি ট্যাঙ্কার অজ্ঞাতনামা প্রজেক্টাইলের হামলার শিকার হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তবে জাহাজের নাবিকরা নিরাপদ আছেন।’

সংস্থাটি আরো জানায়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ শহর থেকে ৭৮ নটিক্যাল মাইল উত্তরে ঘটনাটি ঘটে।

কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে হামলার তদন্ত শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে ওই অঞ্চল দিয়ে চলাচলকারী সব জাহাজকে ‘সতর্ক থাকার’ আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনায় এখনো অচলাবস্থা কাটেনি।

ইরান কৌশলগত হরমুজ প্রণালীর ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের ওপর নৌ অবরোধ আরোপ করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার জানান, যুক্তরাষ্ট্র সোমবার থেকে প্রণালীর মধ্য দিয়ে চলাচল করা জাহাজগুলোকে নিরাপত্তাসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়া শুরু করবে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, এই অভিযানে গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার, স্থল ও সমুদ্রভিত্তিক ১০০টিরও বেশি বিমান, স্থল, সমুদ্র ও আকাশে ব্যবহারযোগ্য চালকবিহীন যান এবং ১৫ হাজার সেনাসদস্য মোতায়েন করা হবে।

সামুদ্রিক গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠান অ্যাক্সএসমেরিনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত উপসাগরীয় অঞ্চলে ৯০০টিরও বেশি বাণিজ্যিক জাহাজ অবস্থান করছিল। সঙ্ঘাত শুরুর সময় এই সংখ্যা ছিল এক হাজার ১০০টির বেশি।

সূত্র: বাসস