জাপানে নতুন গোয়েন্দা সংস্থার কার্যক্রম শুরু

নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে জাপানকে ‘গুপ্তচরদের আখড়া’ হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ ওঠার পর তথ্য সংগ্রহ ব্যবস্থাকে কেন্দ্রীভূত করার লক্ষ্যে দেশটির নতুন জাতীয় গোয়েন্দা ব্যুরোর কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
জাপানের পতাকা
জাপানের পতাকা |সংগৃহীত

নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে জাপানকে ‘গুপ্তচরদের আখড়া’ হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ ওঠার পর তথ্য সংগ্রহ ব্যবস্থাকে কেন্দ্রীভূত করার লক্ষ্যে দেশটির নতুন জাতীয় গোয়েন্দা ব্যুরোর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) সংস্থাটি প্রথম বৈঠক করেছে।

গত মে মাসে পাস হওয়া একটি আইনের আওতায় জাপান বিদ্যমান একটি গোয়েন্দা সংস্থাকে আরো শক্তিশালী করে নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তা-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের কেন্দ্রীয় সংস্থায় রূপ দিয়েছে।

নতুন জাতীয় গোয়েন্দা ব্যুরো বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে সংগৃহীত তথ্য একীভূত করবে এবং নবগঠিত জাতীয় গোয়েন্দা পরিষদে প্রতিবেদন দেবে। এই পরিষদের নেতৃত্বে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।

জাপানি কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছেন, বিদেশী গুপ্তচরবৃত্তি ঠেকানো, সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ, গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি সুরক্ষা এবং জাতীয় নিরাপত্তা জোরদারের জন্য দেশটির গোয়েন্দা সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।

সমালোচকদের মতে, গুপ্তচরবৃত্তি মোকাবেলায় টোকিওর বিদ্যমান নীতি ও আইন প্রয়োগ ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল ও অপর্যাপ্ত।

দ্য নিউইয়র্ক টাইমস চলতি মাসে এক প্রতিবেদনে জানায়, রাশিয়া জাপানকে ‘গুপ্তচরদের আখড়া’ হিসেবে ব্যবহার করেছে এবং ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহৃত দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে দেশটিকে কাজে লাগিয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে ইউক্রেন সরকারের একটি হিসাবের বরাত দিয়ে বলা হয়, রাশিয়ার ৯০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনে জাপানি উপাদান রয়েছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাপানের সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

সূত্র: বাসস