ফিলিপাইনে ধেয়ে আসছে সুপার টাইফুন ফাং ওয়াং

কয়েকদিন আগেই ফিলিপাইনে টাইফুন কালমেগির তাণ্ডবে কমপক্ষে ২০৪ জনের প্রাণহানি ও ১০৯ জন নিখোঁজ হয়েছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন

ফিলিপাইনে টাইফুন ফাং ওয়াং প্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। দেশটির প্রায় পুরো অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত এই ঘূর্ণিঝড় রোববার (৯ নভেম্বর) গভীর রাতে স্থলভাগে আঘাত হানতে পারে।

রাজ্য আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টির ছোট দ্বীপ ক্যাটানডুয়ানেসে সরাসরি আঘাত হানার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেখানে ইতোমধ্যেই ভোরে বাতাস ও বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে, তীব্র ঝড়ো হাওয়ায় উপকূলের রাস্তাগুলোয় ঢেউ আছড়ে পড়ছে।

রাজ্যের আবহাওয়া পরিষেবা জানায়, দেশটিতে সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড় কালমেগি আঘাত হানার মাত্র কয়েকদিন পরই এই ঘূর্ণিঝড় পশ্চিম দিকে ধেয়ে আসছে। কেন্দ্রস্থলের কাছে ঘণ্টায় ১৮৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইছে ও ঘণ্টায় ২৩০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইছে।

ম্যানিলা থেকে বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, উপকূলীয় অরোরা প্রদেশে রোববারের শেষের দিকে অথবা সোমবার ভোরে ফাং ওয়াংয়ের আছরে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদ্ধারকারীরা সেখানে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাসিন্দাদের উঁচু ভূমিতে সরে যেতে উৎসাহিত করছেন।

সরকারি আবহাওয়াবিদ বেনিসন এস্তারেজা শনিবার সাংবাদিকদের জানান, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে প্রায় ২০০ মিলিমিটার বা তার বেশি বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। যা ব্যাপক বন্যার সৃষ্টি করতে পারে।

কয়েকদিন আগেই ফিলিপাইনে টাইফুন কালমেগির তাণ্ডবে কমপক্ষে ২০৪ জনের প্রাণহানি ও ১০৯ জন নিখোঁজ হয়েছে। কালমেগি শুক্রবার ভিয়েতনামে আঘাত হানলে সেখানে কমপক্ষে আরো পাঁচজনের প্রাণহানি হয়েছে।

উদ্ধার কর্মকর্তা মাইরা ডেভেন এএফপিকে বলেন, আসন্ন ঝড়ের কারণে সেবু প্রদেশে অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। টাইফুন কালমেগির প্রায় ৭০ শতাংশের মৃত্যু সেখানে ঘটেছে।

সূত্র : বাসস