থাইল্যান্ডের হামলায় কম্বোডিয়ার নিহত বেড়ে ৬

থাই সীমান্তে সংঘর্ষে গোলাবর্ষণে কম্বোডিয়ার নিহত বেড়ে ৬, আরো বহু মানুষ আহত; সীমান্ত মন্দির অঞ্চল নিয়ে দু’দেশের পুরোনো বিরোধে পরিস্থিতি উত্তপ্ত।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সংঘাত শুরু হওয়ার পর নিরাপদ আশ্রয়ের দিকে ছুটছে সীমান্ত অঞ্চলের লোকজন
থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সংঘাত শুরু হওয়ার পর নিরাপদ আশ্রয়ের দিকে ছুটছে সীমান্ত অঞ্চলের লোকজন |সংগৃহীত

সীমান্ত সংঘর্ষে থাইল্যান্ডের মঙ্গলবার রাতভর গোলাবর্ষণে আরো দু’জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে কম্বোডিয়ায় নিহত বেসামরিক নাগরিকের সংখ্যা ছয়জনে পৌঁছেছে বলে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছে, থাই সামরিক বাহিনী মধ্যরাতের পর সীমান্ত প্রদেশ বানতেয় মিনচেইতে গোলাবর্ষণ করে। এতে ‘ন্যাশনাল রোড-৫৬ দিয়ে চলাচলকারী দু’জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন।’

এর আগে সোমবার কম্বোডিয়ার তথ্যমন্ত্রী নেথ ফিয়াকত্রা এএফপিকে জানান, থাইল্যান্ডের সীমান্তবর্তী প্রদেশ প্রেয়াহ বিহার এবং ওদ্দার মিআনচে-তে থাই কামানের গোলায় অন্তত চারজন কম্বোডীয় বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।

সোমবার তিনি আরো জানান, এই সংঘর্ষে প্রায় ১০ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন।

এদিকে থাই সেনাবাহিনী বলেছে, রোববার নতুন করে লড়াই শুরু হওয়ার পর তাদের একজন সৈন্য নিহত এবং ১৮ জন আহত হয়েছেন।

উভয়পক্ষই নতুন করে সংঘর্ষ শুরুর জন্য একে অপরকে দোষারোপ করছে। সোমবার থাইল্যান্ড তাদের প্রতিবেশী কম্বোডিয়ার বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালায় এবং ট্যাংক ব্যবহার করে।

এই সংঘাতের মূল কারণ হলো এই অঞ্চলে ফ্রান্সের ঔপনিবেশিক শাসনের সময় নির্ধারিত সীমান্ত নিয়ে শত বছরের পুরোনো একটি মতবিরোধ। উভয় দেশই সীমান্তের কিছু মন্দির এলাকার মালিকানা দাবি করে আসছে।

সূত্র : বাসস