ব্যাংককের বারে আগুনের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি বারে আগুন লাগার ঘটনার এক সপ্তাহ পর রোববার (১৯ জুলাই) ২০ বছর বয়সী এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
দুর্ঘটনার এক সপ্তাহ পর আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে
দুর্ঘটনার এক সপ্তাহ পর আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে |সংগৃহীত

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি বারে আগুন লাগার ঘটনার এক সপ্তাহ পর রোববার (১৯ জুলাই) ২০ বছর বয়সী এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।

গত ১২ জুলাই রাতে জনপ্রিয় রং বিয়ার না লাত ফ্রাও বার ও রেস্তোরাঁয় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং লাইভ মিউজিক অনুষ্ঠানের জন্য পরিচিত ওই ভেন্যুটি মুহূর্তের মধ্যে আগুনে গ্রাস হয়ে যায়।

পুলিশ বার্তাসংস্থা এএফপিকে জানিয়েছিল, বেশিভাগের মৃত্যু হয়েছে ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে। এছাড়া কয়েকজন গুরুতর দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

আগুন লাগার কারণ এবং এত বেশি প্রাণহানির পেছনের কারণ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। অনেক লাশ বাথরুমের কাছে পাওয়া যাওয়ায় তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, জরুরি বহির্গমন পথ বাধাগ্রস্ত ছিল কি-না।

এর আগে এএফপিকে এক ভবন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ জানান, রং বিয়ার না লাত ফ্রাও বারে বিপুলসংখ্যক মানুষ এবং লাইভ মিউজিক অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না বলে মনে হয়েছে।

ব্যাংকক নগর কর্তৃপক্ষ পরিচালিত এরাওয়ান জরুরি চিকিৎসাকেন্দ্র জানিয়েছে, ২০ বছর বয়সী আপিনিয়া সুখথংসা রোববার ভোরে হাসপাতালে মারা যান।

কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে, এ ঘটনায় প্রায় ৭০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৩ জন এখনো নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রেতে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

থাইল্যান্ডে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তাবিধি, বিশেষ করে বার ও নাইটক্লাবগুলোর ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে।

২০০৯ সালে নববর্ষ উদযাপনের সময় ব্যাংককের সান্তিকা ক্লাবে আগুন লেগে ৬৭ জনের মৃত্যু হয় এবং ২০০ জনের বেশি আহত হয়েছিলেন।

সূত্র: বাসস