ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশে বিধ্বস্ত একটি মৎস্য নজরদারি বিমানের নিখোঁজ ১০ আরোহীর লাশ শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) উদ্ধার করা হয়েছে। দেশটির জাতীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থা (বাসারনাস) এ তথ্য জানিয়েছে।
এআরটি ৪২-৫০০ মডেলের টার্বোপ্রপ বিমানটি গত ১৭ জানুয়ারি স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টার দিকে দক্ষিণ সুলাওয়েসির মারোস অঞ্চলের আকাশসীমায় উড্ডয়ন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বিমানটি ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্ট (আইএটি)-এর মালিকানাধীন ছিল।
বিমানটিতে সাতজন ক্রু সদস্য এবং তিনজন যাত্রী ছিলেন। যাত্রীরা ইন্দোনেশিয়ার সামুদ্রিক বিষয় ও মৎস্য মন্ত্রণালয়ের কর্মী ছিলেন। মন্ত্রণালয়ের চুক্তিতে বিমানটি মৎস্য সম্পদ নজরদারির কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল।
দক্ষিণ সুলাওয়েসির উদ্ধার সংস্থার কর্মকর্তা আন্দি সুলতান এক ভিডিও বার্তায় আবেগাপ্লুত কণ্ঠে জানান, শুক্রবার ভোরে নবম ও দশম মরদেহ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকাজ এখনও চলমান রয়েছে।
এর আগে মারোস অঞ্চলের মাউন্ট বুলুসারাউং এলাকায় বিভিন্ন স্থানে বিমানটির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়। অঞ্চলটি রাজধানী জাকার্তা থেকে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় পরিবহন নিরাপত্তা কমিটি (কেএনকেটি) দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে উদ্ধার হওয়া ব্ল্যাক বক্সের তথ্য বিশ্লেষণ করছে।
গত এক দশকের বেশি সময়ে এটিই ইন্দোনেশিয়ায় এআরটি ৪২-৫০০ মডেলের বিমানের প্রথম প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা। এর আগে ২০১৫ সালে পাপুয়া অঞ্চলে ট্রিগানা এয়ার সার্ভিসের একটি এআরটি ৪২-৩০০ বিমান পাহাড়ে বিধ্বস্ত হয়ে ৫৪ আরোহীর মৃত্যু হয়।
সূত্র: রয়টার্স, সিনহুয়া।



