কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-ক্যানেল শনিবার বলেছেন, তিনি এশিয়া সফর শুরু করেছেন। তার এ সফরে তিনি এই মহাদেশের প্রধান বাণিজ্যিক মিত্র চীন, লাওস ও ভিয়েতনামে যাবেন।
দিয়াজ-ক্যানেলের এই সফর এমন এক সময় অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন এক কোটি নয় লাখ জনসংখ্যার কিউবা তীব্র অর্থনৈতিক সঙ্কটের মুখোমুখি, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যাপক শুল্ক আরোপের ফলে বিশ্ব বাণিজ্য বিপর্যস্ত।
দিয়াজ-ক্যানেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘এই সপ্তাহের শেষে আমরা ভিয়েতনাম, চীন ও লাওসে আনুষ্ঠানিক সফর শুরু করেছি, যাদের সাথে আমাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং সহযোগিতা ও সংহতির অংশিদারিত্বের ইতিহাস রয়েছে এবং সময় ও সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জর দ্বারা পরীক্ষিত।’
কিউবার সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসি রিসার্চ জানায়, ২০২০ সালে বাণিজ্যিক সম্পর্ক শুরু হওয়ার পর থেকে ভিয়েতনাম হলো কিউবার শীর্ষস্থানীয় এশিয়ান বিনিয়োগকারী, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৩৪০ মিলিয়ন ডলার।
ভিয়েতনাম কিউবায় চাল, কয়লা, রাসায়নিক, টেক্সটাইল ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ রফতানি করে এবং মূলত দ্বীপ থেকে ওষুধজাত পণ্য আমদানি করে।
কিউবা সম্প্রতি ভিয়েতনামী কোম্পানি অ্যাগ্রি ভিএএম-কে হাভানার পশ্চিমে ১ হাজার হেক্টর জমিতে চাল চাষের অনুমতি দিয়েছে। ভিয়েতনাম অতীতেও কিউবাকে ধান চাষের পরামর্শ দিয়েছে কিন্তু এই প্রথমবারের মতো কোনো বেসরকারি সংস্থা নিজেই চাষ করেছে।
চাল স্থানীয় একটি প্রধান খাদ্য, কিউবানরা প্রতি বছর মাথাপিছু ৬০ কেজি চাল খায়।
সূত্র : বাসস



