এশিয়ায় শক্তির ভারসাম্য বদলে দিতে চীন ‘সামরিক হস্তক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছে’ বলে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। তিনি বলেন, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ‘স্থায়ীভাবে অবস্থান’ করতে এসেছে।
ফরাসি বার্তাসংস্থা এএফপি জানায়, শনিবার সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত বার্ষিক নিরাপত্তা সম্মেলন শাংরি-লা ডায়ালগে দেয়া বক্তব্যে হেগসেথ এ কথা বলেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের সাথে বেইজিংয়ের বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও কৌশলগত প্রভাব বিস্তার নিয়ে চলমান দ্বন্দ্বের মধ্যে তিনি এ মন্তব্য করলেন।
চীনের বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হেগসেথ বলেন, চীনের পক্ষ থেকে আসা হুমকি বাস্তব এবং তা অচিরেই বাস্তবায়িত হতে পারে। বেইজিং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দিতে সামরিক শক্তি ব্যবহারের বাস্তব প্রস্তুতি নিচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, চীনা সেনাবাহিনী তাইওয়ান আক্রমণের সক্ষমতা অর্জনে কাজ করছে এবং বাস্তব অভিযানের মহড়াও চালাচ্ছে।
চীন সম্প্রতি তাইওয়ানের আশপাশে বড় পরিসরের সামরিক মহড়া চালিয়েছে, যা অনেকেই সম্ভাব্য অবরোধ কিংবা হামলার প্রস্তুতি হিসেবে দেখছেন।
যুক্তরাষ্ট্র এখন কমিউনিস্ট চীনের আগ্রাসন রুখতে নিজেদের অবস্থান পুনর্গঠনের পথে রয়েছে বলে জানান হেগসেথ। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই আমাদের এশীয় মিত্র ও অংশীদাররা দ্রুত নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াক।’
হেগসেথ বলেন, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলই যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রথম অগ্রাধিকার’। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, ‘চীন আমাদের বা আমাদের মিত্রদের আধিপত্যে নিতে পারবে না।’
যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ফিলিপাইন ও জাপানের সাথে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরো জোরদার করেছে এবং ট্রাম্পের ভাষায় ‘তার প্রেসিডেন্সিতে চীন কখনোই তাইওয়ান আক্রমণ করতে পারবে না।’
তবে হেগসেথ জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের নিজস্ব সামরিক খরচ বাড়াতে হবে এবং দ্রুত প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আধুনিক করতে হবে।
সূত্র : বাসস



