মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র ও রক্ষণশীল রাজনৈতিক কর্মী চার্লি কার্ক হত্যা মামলায় অভিযুক্ত টাইলার রবিনসন মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) ভিডিও লিংকের মাধ্যমে শুনানিতে অংশ নিয়েছেন। শুনানিতে তার মৃত্যুদণ্ড চেয়েছেন প্রসিকিউটররা।
ছাত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ-এর প্রতিষ্ঠাতা কার্ককে গত সপ্তাহে ইউটাহর একটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেয়ার সময় গুলি করে হত্যা করা হয়। ৩১ বছর বয়সী এই ব্যক্তির মৃত্যুতে রাজনৈতিক ডানপন্থীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে এবং প্রতিশোধের স্পৃহাও তৈরি হয়।
২২ বছর বয়সী টাইলার রবিনসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ছাদ থেকে একটি গুলি ছুঁড়ে হাজার হাজার মানুষের সামনে কার্ককে হত্যা করেছেন। ৩৩ ঘণ্টার এক বিশাল অভিযান শেষে রবিনসনকে পুলিশের হেফাজতে নেয়া হয়। এই হত্যাকাণ্ডের ফলে দেশটির জনমত ব্যাপকভাবে বিভক্ত হয়ে পড়েছে।
মঙ্গলবার ইউটাহর আদালতে তার বিরুদ্ধে আরোপিত অভিযোগের শুনানির জন্য হাজির হওয়ার সময় রবিনসন আত্মহত্যা প্রতিরোধী বিশেষ ধরনের পোশাক পরেছিলেন। সাধারণত আলোচিত হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের এভাবে আদালতে হাজির করা হয়।
শুনানিতে তিনি কেবল তার নাম নিশ্চিত করার জন্য কথা বলেন এবং বাকি সময় নিষ্ক্রিয়ভাবে বসে থাকেন। এ সময় জেলা বিচারক টনি গ্রাফ তার বিরেুদ্ধে আনা সাতটি অভিযোগ পড়ে শোনান।
রবিনসনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর মধ্যে হত্যাকাণ্ডের (অ্যাগ্রাভেটেড মার্ডার) অভিযোগ সবচেয়ে গুরুতর। অন্য অভিযোগগুলোর মধ্যে বিচারপ্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি এবং সাক্ষীকে প্রভাবিত করার চেষ্টা অন্যতম।
ইউটাহ কাউন্টির অ্যাটর্নি জেফ গ্রে এর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমি মৃত্যুদণ্ড চাওয়ার জন্য একটি অভিপ্রায়ের নোটিশ দায়ের করছি। আমি এই সিদ্ধান্তকে হালকাভাবে নিচ্ছি না। উপলব্ধ প্রমাণ, পরিস্থিতি ও অপরাধের প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
সূত্র : এএফপি



