ইরানে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটেছে, দাবি ট্রাম্পের

সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই ইরান গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস পরিবাহিত হয়। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যায়।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প |সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধের ফলে ইরানে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। তবে একই সাথে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ইরানের সাথে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হবে।

রোববার (২৯ মার্চ) এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ‘আমার মনে হয় আমরা ইরানের সাথে একটি চুক্তিতে পৌঁছাবো—এ ব্যাপারে আমি বেশ নিশ্চিত। ইতোমধ্যেই সেখানে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন হয়েছে।’

গত এক মাসের যুদ্ধে ইরানের অনেক শীর্ষ নেতা নিহত হওয়ায় দেশটি এখন নতুন নেতৃত্বের অধীনে চলছে জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এখন এমন একদল মানুষের সাথে কাজ করছি, যাদের সাথে আগে কেউ কাজ করেনি। এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি গোষ্ঠী—তাই আমি এটিকে শাসন পরিবর্তন বলব।’

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধের প্রথম দিন এক বিমান হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি শহীদ হন। পরে তার ছেলে মোজতবা খামেনিকে ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর দেশটির তৃতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মনোনীত করা হয়।

এদিকে, সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই ইরান গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস পরিবাহিত হয়। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যায়।

তবে ট্রাম্প জানান, পরিস্থিতির উন্নতি হতে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘ইরান কিছু ছাড় দিতে রাজি হয়েছে এবং খুব শিগগিরই হরমুজ প্রণালি দিয়ে আবার তেলবাহী জাহাজ চলাচল শুরু করবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘তারা আমাদের প্রতি সম্মান দেখিয়ে ২০টি বড় তেলবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে। আগামীকাল সকাল থেকে কয়েক দিনের মধ্যে এসব জাহাজ চলাচল শুরু হবে।’

সূত্র বাসস