ইরান অনেক অস্ত্র নিয়ে এই যুদ্ধে নেমেছিল উল্লেখ করে মার্কিন জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন বলেছেন, ইরান এখনো ‘কিছু সামরিক সক্ষমতা’ ধরে রেখেছে।
বৃহস্পতিবার পেন্টাগনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সাথে প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য দেয়ার সময় তিনি একথা বলেন।
যুদ্ধ শুরু হওয়ার প্রায় তিন সপ্তাহ পরও ইরান যে উপসাগরজুড়ে জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালানোর সক্ষমতা রাখে—এ বিষয়ে তাকে জিজ্ঞেস করা হলে কেইন বলেন, “ইরান ‘অনেক অস্ত্র নিয়ে এই যুদ্ধে নেমেছিল’ এবং সে কারণেই যুক্তরাষ্ট্র ‘যতটা সম্ভব আক্রমণাত্মক ও দৃঢ়’ অবস্থান নিয়েছে।”
তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র তাদেরকে খুঁজে বের করছে, শনাক্ত করছে এবং হত্যা করছে।’ তবে ইরান এখনো ‘কিছু সক্ষমতা’ বজায় রেখেছে।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড তাদের লক্ষ্য অর্জনে এখনো ‘পরিকল্পনা অনুযায়ী’ এগোচ্ছে এবং ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ও নৌবাহিনীকে লক্ষ্য করে তাদের অভিযান ‘অবিরাম’ চলছে।
তিনি আরো বলেন, ভূগর্ভস্থ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে ৫ হাজার পাউন্ড (২ হাজার ২৭০ কেজি) ওজনের পেনিট্রেটিভ অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে—যা কংক্রিট ভেদ করে ভেতরে ঢোকার পর কার্যকর হওয়ার জন্য নকশা করা।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ নিয়ে আপডেট দিতে গিয়ে জেনারেল ড্যান কেইন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আরো পূর্বদিকে ইরানি আকাশসীমায় প্রবেশ করে ‘একমুখী আক্রমণাত্মক ড্রোন শিকার ও ধ্বংস’ করছে।
তিনি জানান, এ-১০ ওয়ারথগ বিমান এখন দক্ষিণ ইরানজুড়ে অভিযানে অংশ নিচ্ছে এবং হরমুজ প্রণালীতে ‘দ্রুত আক্রমণকারী নৌযান’ লক্ষ্য করে আঘাত হানছে।
কেইন আরো বলেন, এএইচ–৬৪ অ্যাপাচি হেলিকপ্টারও দক্ষিণ ইরানজুড়ে অভিযানে যোগ দিয়েছে ড্রোন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে।
যুক্তরাষ্ট্র ইরাকে ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে আঘাত হানছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সূত্র : বিবিসি



