ভেনিজুয়েলায় রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তির দাবিতে স্বজনদের অনশন ধর্মঘট শুরু

নভেম্বর থেকে আটক এক রাজনৈতিক বন্দির মা এভলিন কুইয়ারো এএফপিকে বলেন, ‘সবাই মুক্তি না পাওয়া পর্যন্ত এখানেই থাকব। আমরা অনেক দিন ধরে অপেক্ষা করছি।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
বন্দীদের মুক্তির দাবিতে স্বজনদের অনশন ধর্মঘট
বন্দীদের মুক্তির দাবিতে স্বজনদের অনশন ধর্মঘট |ইন্টারনেট

ভেনিজুয়েলার রাজনৈতিক বন্দীদের স্বজনরা গতকাল শনিবার কারাকাসের একটি কারাগারের বাইরে অনশন ধর্মঘট শুরু করেছেন। যদিও ঐতিহাসিক সাধারণ ক্ষমা আইন গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা এখনো চলমান রয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর জানিয়েছে।

৩ জানুয়ারি কারাকাসে এক প্রাণঘাতী অভিযানে মার্কিন বিশেষ বাহিনী দেশটির দীর্ঘদিনের নেতা নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর থেকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের গৃহীত সংস্কারের কেন্দ্রবিন্দু হলো ঐতিহাসিক সাধারণ ক্ষমা।

সাধারণ ক্ষমার লক্ষ্য হচ্ছে, প্রায় তিন দশক ধরে রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের অবসান ঘটানো এবং গত ২৭ বছর ধরে মাদুরো এবং তার পূর্বসূরী হুগো শ্যাভেজের শাসনের বিরোধিতাকারী ভিন্নমতাবলম্বীদের বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগের আওতায় আনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

৮ জানুয়ারির গণমুক্তির প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করে ধীরগতিতে বন্দী মুক্তির ফলে, পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘ অপেক্ষায় কারাগারের বাইরে তাঁবু খাটিয়ে অবস্থান করছেন। প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ায় এবং কর্তৃপক্ষের ধীরগতির কারণে কয়েক ডজন পরিবার চরম অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

কারাকাসে, জোন ৭ নামে পরিচিত একটি জাতীয় পুলিশ কেন্দ্রের প্রবেশপথে মেডিক্যাল ফেস মাস্ক পরা প্রায় ১০ জন নারীর একটি দল লাইনে শুয়ে ছিল।

তাদের মধ্যে অনেকেই ঘুমাচ্ছিলেন, একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে এএফপিকে বলেছেন, ‘ঘুম ক্ষুধা কমায়’।

৪৬ বছর বয়সী ইভিমিনেশন কর্মকর্তা এবং একজন রাজনৈতিক বন্দির মা এভলিন কুইয়ারো এএফপিকে বলেন, ‘সবাই মুক্তি না পাওয়া পর্যন্ত আমরা এখানেই থাকব।’

কুইয়ারোর ছেলে নভেম্বর থেকে আটক রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা অনেক দিন ধরে অপেক্ষা করছি।’

সূত্র : এএফপি