প্রশান্ত মহাসাগরে আরেকটি নৌযানে মার্কিন হামলা, নিহত ৩

এটি ছিল সন্দেহভাজন মাদকবাহী নৌকার ওপর মার্কিন সামরিক বাহিনীর ২১তম আক্রমণ। পেন্টাগনের পরিসংখ্যান অনুসারে, এসব হামলায় ৮০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন

মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর রোববার (১৬ নভেম্বর) জানিয়েছে, পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে শনিবার আরো একটি মাদক বহনকারী নৌযানে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে। এতে তিনজন নিহত হয়েছেন।

মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া একটি বার্তায় জানিয়েছে, গোয়েন্দা সংস্থা নিশ্চিত করেছে যে নৌযানটি অবৈধ মাদক পাচারের সাথে জড়িত ছিল। এটি একটি পরিচিত মাদক-পাচারের রুট ধরে চলাচল করছিল এবং মাদক বহন করছিল। হামলা চালানোর সময় নৌযানটি আন্তর্জাতিক পানিসীমায় ছিল।

এটি ছিল সন্দেহভাজন মাদকবাহী নৌকার ওপর মার্কিন সামরিক বাহিনীর ২১তম আক্রমণ। সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে মাদক পাচারের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র ক্যারিবীয় অঞ্চল ও প্রশান্ত মহাসাগরে বিভিন্ন নৌযানকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। পেন্টাগনের পরিসংখ্যান অনুসারে, এসব হামলায় ৮০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।

মার্কিন কংগ্রেসের আইনপ্রণেতা, মানবাধিকার গোষ্ঠী ও যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা হামলার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, বিচার বিভাগের আইনি মতামতের ভিত্তিতে এসব হামলার অনুমোদন তাদের রয়েছে এবং অভিযানে অংশ নেয়া সামরিক সদস্যরা বিচারের মুখে পড়বে না।

রোববার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, পররাষ্ট্র দফতর একটি কথিত মাদক গোষ্ঠী কার্টেল দে লস সোলসকে ‘বিদেশী সন্ত্রাসী সংগঠনে’র তালিকায় যুক্ত করবে। মার্কিন কর্মকর্তাদের অভিযোগ, কার্টেল দে লস সোলস অপরাধমূলক সংগঠন ট্রেন দে আরাগুয়ার সাথে মিলে যুক্তরাষ্ট্রে মাদকদ্রব্য পাঠাচ্ছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো কার্টেল ডি লস সোলসের নেতৃত্ব দেন। তবে তিনি এই দাবী প্রত্যাখ্যান করেছেন। মার্কিন কর্মকর্তারা মাদুরো সরকারের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেয়ার কথা বিবেচনা করার কারণে পেন্টাগন ক্যারিবীয় অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান এবং একটি পারমাণবিক সাবমেরিন মোতায়েন করেছে।

সূত্র : রয়টার্স