ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় খাদ্য বিতরণ কেন্দ্র ইসরাইলই পরিচালনা করবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই ইঙ্গিত দিয়েছেন।
সমালোচকরা বলছেন, এমন পদক্ষেপ নেয়া হলে গাজায় ইসরাইলের দখলদারিত্ব আরো দৃঢ় হবে ও ত্রাণপ্রত্যাশীদের নিরাপত্তা ক্ষুণ্ন হবে।
ইসরাইল দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছে, ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস গাজায় বিতরণ করা খাদ্যসহায়তা লুট করে। ট্রাম্প এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমানে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় ইসরাইলের এই দাবির প্রতি জোর দেন। তবে বিভিন্ন সাহায্য সংস্থা ও জাতিসঙ্ঘের কর্মকর্তারা ইসরাইলের দাবি নাকচ করে দিয়েছেন।
এমনকি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেশ কয়েকজন ইসরাইলি কর্মকর্তাও নিউইয়র্ক টাইমসের মতো সংবাদমাধ্যমগুলোকে বলেন, খাদ্যসহায়তা হামাসের কাছে পৌঁছাচ্ছে বলে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘অনেক জিনিস লুট হয়ে গেছে। তারা টাকা পাঠায়। তারা খাবার পাঠায়। আর হামাস তা লুট করে। এটি একটি ছলচাতুরীর খেলা।’
তিনি আরো বলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ত্রাণ বিতরণ পরিচালনা করার জন্য ইসরাইলের ওপর আস্থা রাখেন। যদিও এ কার্যক্রম এতটাই বিশৃঙ্খল যে ত্রাণ নিতে আসা ক্ষুধার্ত ফিলিস্তিনিদের ওপর প্রতিদিনই গুলি চালাচ্ছেন ইসরাইলি সেনারা।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমরা ইসরাইলের সাথে কাজ করতে চলেছি। এবং আমরা মনে করি তারা এটি ভালোভাবে করতে পারবে। তারা খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রগুলো পরিচালনা করতে চায়, যেন তা যথাযথভাবে বিতরণ হয়।’
তবে কোথায় ও কখন এসব কেন্দ্রগুলো তৈরি হবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ইসরাইল সেগুলো সরাসরি পরিচালনা করবে না-কি বিতর্কিত ত্রাণ সংস্থা জিএইচএফের মাধ্যমে তা-ও স্পষ্ট নয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল-সমর্থিত বিতর্কিত সংস্থাটির বিরুদ্ধে গাজায় অনিরাপদ ত্রাণ কার্যক্রম চালানোর অভিযোগ রয়েছে।
সূত্র : আল জাজিরা



