মেক্সিকোর আইনসভার উচ্চকক্ষ সিনেটে বুধবার (২৭ আগস্ট) সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। অধিবেশনের শেষ দিকে বিরোধীদলীয় এক নেতা এবং সিনেট সভাপতির মধ্যে কিলঘুষি, ধাক্কাধাক্কি ও চিৎকার–চেঁচামেচি হয়।
দিনের অধিবেশন শেষে আইনপ্রণেতারা যখন জাতীয় সঙ্গীত গাইছিলেন, তখন বিরোধী দল ইনস্টিটিউশনাল রেভল্যুশনারি পার্টির (পিআরআই) প্রধান আলেজান্দ্রো ‘আলিতো’ মোরেনো ক্ষমতাসীন মোরেনা পার্টির সিনেট সভাপতি জেরার্ডো ফার্নান্দেজ নোরোনার দিকে তেড়ে আসেন।
পরে ফার্নান্দেজ নোরোনা সংবাদ সম্মেলনে বলেন, মেক্সিকোতে অন্যান্য দেশের সশস্ত্র বাহিনীর উপস্থিতি নিয়ে ‘কঠিন বিতর্কের’ পর মারামারি শুরু হয়।
এক ভিডিওতে দেখা গেছে, মোরেনো ফার্নান্দেজ নোরোনার কাছে গিয়ে বারবার বলছেন, ‘আমি অনুরোধ করছি, আমাকে কথা বলতে দিন।’ এরপর তিনি নোরোনার হাত পাকড়ে ধরেন। নোরোনা তখন বলেন, ‘আমাকে ছোঁবেন না।’
এরপর তারা একে অপরকে ধাক্কা দিতে শুরু করের। একপর্যায়ে মোরেনো এক আলোকচিত্রীকেও ফেলে দেন। নোরোনা যখন পেছনে সরে যাচ্ছিলেন, তখন আরেক আইনপ্রণেতা ছুটে এসে তাকে আঘাত করার চেষ্টা করেন।
ফার্নান্দেজ নোরোনা বলেন, ‘(মোরেনো) আমাকে টানতে থাকে, ধাক্কা দেয়, আঘাত করে এবং বলেন, আমি তোমাকে এমন মার মারব, আমি তোমাকে মেরেই ফেলব।’
তিনি আরো জানান, শুক্রবার তিনি একটি জরুরি অধিবেশন ডাকবেন এবং মোরেনোসহ পিআরআইয়ের আরো তিন আইনপ্রণেতাকে বহিষ্কারের প্রস্তাব তুলবেন। অন্যদিকে মোরেনো অভিযোগ করেন, ফার্নান্দেজ নোরোনাই প্রথমে তার উপর আক্রমণ করেছিলেন।
সূত্র : রয়টার্স



