মার্কিন ম্যাগাজিন ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের লুকাস ড্রোনকে ইরানি শাহেদ ড্রোনের নকল বলে দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এতদিন গর্বভরে বলতো, টেকনোলজিতে তারাই সবচেয়ে অগ্রসর দেশ, অন্যরা তাদের অনুসরণ করে চলে। সম্প্রতি এমন এক বিস্ফোরক তথ্য পাওয়া গেছে, যাতে বাস্তবতা দেখা গেছে ভিন্ন রকম। বরং প্রমাণিত হয়েছে, টেকনোলজির একাধিক ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাপিয়ে গেছে অন্যরা। বিশেষ করে ড্রোন শিল্পে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অন্যদের আবিষ্কার সূত্র নকল করারও প্রমাণ পাওয়া গেছে।
সূত্রটি জানিয়েছে, ইরানের ড্রোন প্রযুক্তি নকল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষ করে স্বল্প খরচের কার্যকর ড্রোনের সূত্রগুলো তাদের থেকে নেয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনটির লেখক ও পত্রিকাটির নিরাপত্তাবিষয়ক সম্পাদক ব্র্যান্ডন ওয়েইচার্ট আক্ষেপ করে বলেছেন, যেখানে চীন, রাশিয়া, তুরস্ক ও ইউক্রেনের মতো শত্রু ও মিত্র দেশগুলো নতুন আবিষ্কারের পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয় করছে, সেখানে যুক্তরাষ্ট্র কেবল নিজের অতীত কৃতিত্বের উপর সন্তুষ্ট থাকছে।
এরপর তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্বল্পব্যয়ের একটি ড্রোন আছে মেরিন কর্পস ‘লুকাস’ নামে। এটি তাদের নিজস্ব আবিষ্কার নয়। বরং এটি হলো ইরানের শাহেদ-১৩৬ ড্রোনেরই কার্বন কপি।



