ইরান যুদ্ধের কৌশল বদলাচ্ছেন ট্রাম্প : দীর্ঘমেয়াদি চাপের নীতি

ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিতে এই বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এতদিন ‘অবিলম্বে কঠোর আঘাত’ করার যে আলোচনা ছিল, সেখান থেকে সরে এসে এখন ইরানকে ‘ধীরে ধীরে শ্বাসরুদ্ধ’ করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ডোনাল্ড ট্রাম্প
ডোনাল্ড ট্রাম্প |সংগৃহীত

ইরানের সাথে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নিজেদের কৌশল বদলে ফেলার নতুন ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের সাথে চলমান সব ধরনের আলোচনা বন্ধের জন্য নিজের শীর্ষ প্রতিনিধিদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক সংঘাত কমানোর বদলে ইরানকে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিকভাবে কোণঠাসা করার নীতি গ্রহণ করছে ওয়াশিংটন।

সিএনএন, বুধবার (১৯ আগস্ট) জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিতে এই বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এতদিন ‘অবিলম্বে কঠোর আঘাত’ করার যে আলোচনা ছিল, সেখান থেকে সরে এসে এখন ইরানকে ‘ধীরে ধীরে শ্বাসরুদ্ধ’ করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। নিজের ট্রুথ সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বার্তায় ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, 'ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সাথে কোনো ধরনের আলোচনা বা বৈঠক হচ্ছে না বা সময়সূচীও নির্ধারিত নেই।' সেই সাথে হরমুজ প্রণালীতে নৌ অবরোধ পূর্ণ শক্তিতে জারি রয়েছে বলে জানান তিনি।

তবে ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত এবং সব মাইন নিষ্ক্রিয় করার দাবি করলেও, বাস্তবে নৌপথটিতে জাহাজ চলাচল এখনও চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। পাশাপাশি সেখানে ইরানি হামলার ঘটনাও ঘটছে। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের সমন্বয়ে গঠিত মার্কিন প্রতিনিধি দলকে তেহরানের সাথে আলোচনা বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে চুক্তি করতে অস্বীকৃতি জানানোয় ট্রাম্প এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

অন্যদিকে, ওমানের মধ্যস্থতায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য ইরান যে নতুন ব্যবস্থার চেষ্টা করছে, তাতে ট্রাম্প চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ওমান নিরপেক্ষ ভূমিকা না রেখে ইরানের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে ওয়াশিংটনের ধারণা। প্রণালী দিয়ে পারাপারকারী জাহাজের ওপর কোনো ধরনের ফি বা শুল্ক আরোপের প্রস্তাব কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে মার্কিন প্রশাসন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, মার্কিন বাহিনী অনির্দিষ্টকালের জন্য ইরানি বন্দরগুলোতে অবরোধ বজায় রাখতে প্রস্তুত। ইরানের ওপর শীঘ্রই আরও কঠোর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আসতে যাচ্ছে। যদিও টানা ছয় মাসের যুদ্ধে মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম ও গোলাবারুদের মজুতে টান পড়েছে এবং দেশে ফিরে আসার রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে, তবুও ট্রাম্প যুদ্ধ শেষ করার দ্রুত কোনো পথ খুঁজছেন না। মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় হরমুজ প্রণালীর একটি মানচিত্র পোস্ট করে তার ওপর 'যুক্তরাষ্ট্রের অঞ্চল' লিখে তিনি নিজেদের দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতিরই বার্তা দিয়েছেন।

ইরানের সাথে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নিজেদের কৌশল বদলে ফেলার নতুন ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের সাথে চলমান সব ধরনের আলোচনা বন্ধের জন্য নিজের শীর্ষ প্রতিনিধিদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক সংঘাত কমানোর বদলে ইরানকে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিকভাবে কোণঠাসা করার নীতি গ্রহণ করছে ওয়াশিংটন।

সিএনএন, বুধবার (১৯ আগস্ট) জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিতে এই বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এতদিন ‘অবিলম্বে কঠোর আঘাত’ করার যে আলোচনা ছিল, সেখান থেকে সরে এসে এখন ইরানকে ‘ধীরে ধীরে শ্বাসরুদ্ধ’ করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। নিজের ট্রুথ সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বার্তায় ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, 'ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সাথে কোনো ধরনের আলোচনা বা বৈঠক হচ্ছে না বা সময়সূচীও নির্ধারিত নেই।' সেই সাথে হরমুজ প্রণালীতে নৌ অবরোধ পূর্ণ শক্তিতে জারি রয়েছে বলে জানান তিনি।

তবে ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত এবং সব মাইন নিষ্ক্রিয় করার দাবি করলেও, বাস্তবে নৌপথটিতে জাহাজ চলাচল এখনও চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। পাশাপাশি সেখানে ইরানি হামলার ঘটনাও ঘটছে। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের সমন্বয়ে গঠিত মার্কিন প্রতিনিধি দলকে তেহরানের সাথে আলোচনা বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে চুক্তি করতে অস্বীকৃতি জানানোয় ট্রাম্প এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

অন্যদিকে, ওমানের মধ্যস্থতায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য ইরান যে নতুন ব্যবস্থার চেষ্টা করছে, তাতে ট্রাম্প চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ওমান নিরপেক্ষ ভূমিকা না রেখে ইরানের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে ওয়াশিংটনের ধারণা। প্রণালী দিয়ে পারাপারকারী জাহাজের ওপর কোনো ধরনের ফি বা শুল্ক আরোপের প্রস্তাব কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে মার্কিন প্রশাসন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, মার্কিন বাহিনী অনির্দিষ্টকালের জন্য ইরানি বন্দরগুলোতে অবরোধ বজায় রাখতে প্রস্তুত। ইরানের ওপর শীঘ্রই আরও কঠোর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আসতে যাচ্ছে। যদিও টানা ছয় মাসের যুদ্ধে মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম ও গোলাবারুদের মজুতে টান পড়েছে এবং দেশে ফিরে আসার রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে, তবুও ট্রাম্প যুদ্ধ শেষ করার দ্রুত কোনো পথ খুঁজছেন না। মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় হরমুজ প্রণালীর একটি মানচিত্র পোস্ট করে তার ওপর 'যুক্তরাষ্ট্রের অঞ্চল' লিখে তিনি নিজেদের দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতিরই বার্তা দিয়েছেন।

ইরানের সাথে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নিজেদের কৌশল বদলে ফেলার নতুন ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের সাথে চলমান সব ধরনের আলোচনা বন্ধের জন্য নিজের শীর্ষ প্রতিনিধিদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক সংঘাত কমানোর বদলে ইরানকে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিকভাবে কোণঠাসা করার নীতি গ্রহণ করছে ওয়াশিংটন।

সিএনএন, বুধবার (১৯ আগস্ট) জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিতে এই বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এতদিন ‘অবিলম্বে কঠোর আঘাত’ করার যে আলোচনা ছিল, সেখান থেকে সরে এসে এখন ইরানকে ‘ধীরে ধীরে শ্বাসরুদ্ধ’ করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। নিজের ট্রুথ সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বার্তায় ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, 'ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সাথে কোনো ধরনের আলোচনা বা বৈঠক হচ্ছে না বা সময়সূচীও নির্ধারিত নেই।' সেই সাথে হরমুজ প্রণালীতে নৌ অবরোধ পূর্ণ শক্তিতে জারি রয়েছে বলে জানান তিনি।

তবে ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত এবং সব মাইন নিষ্ক্রিয় করার দাবি করলেও, বাস্তবে নৌপথটিতে জাহাজ চলাচল এখনও চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। পাশাপাশি সেখানে ইরানি হামলার ঘটনাও ঘটছে। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের সমন্বয়ে গঠিত মার্কিন প্রতিনিধি দলকে তেহরানের সাথে আলোচনা বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে চুক্তি করতে অস্বীকৃতি জানানোয় ট্রাম্প এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

অন্যদিকে, ওমানের মধ্যস্থতায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য ইরান যে নতুন ব্যবস্থার চেষ্টা করছে, তাতে ট্রাম্প চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ওমান নিরপেক্ষ ভূমিকা না রেখে ইরানের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে ওয়াশিংটনের ধারণা। প্রণালী দিয়ে পারাপারকারী জাহাজের ওপর কোনো ধরনের ফি বা শুল্ক আরোপের প্রস্তাব কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে মার্কিন প্রশাসন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, মার্কিন বাহিনী অনির্দিষ্টকালের জন্য ইরানি বন্দরগুলোতে অবরোধ বজায় রাখতে প্রস্তুত। ইরানের ওপর শীঘ্রই আরও কঠোর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আসতে যাচ্ছে। যদিও টানা ছয় মাসের যুদ্ধে মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম ও গোলাবারুদের মজুতে টান পড়েছে এবং দেশে ফিরে আসার রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে, তবুও ট্রাম্প যুদ্ধ শেষ করার দ্রুত কোনো পথ খুঁজছেন না। মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় হরমুজ প্রণালীর একটি মানচিত্র পোস্ট করে তার ওপর 'যুক্তরাষ্ট্রের অঞ্চল' লিখে তিনি নিজেদের দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতিরই বার্তা দিয়েছেন।