মাত্র দুই ঘণ্টার অভিযানে ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে মার্কিন সেনা। একাধিক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ভেনিজুয়েলায় মার্কিন অভিযানের কয়েক মাস আগে থেকেই ওই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিয়োসডাডো কাবেয়োর সাথে যোগাযোগে ছিল মার্কিন গোয়েন্দাদের।
সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টগুলোতে দাবি করা হচ্ছে, মাদুরোর নিরাপত্তা বলয়-সহ বিভিন্ন গোপন তথ্য আগে থেকেই আমেরিকার হাতে চলে গিয়েছিল। আর এসব কিছু ফাঁস করেছিলেন ভেনিজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্টেরই ‘ঘনিষ্ঠ’ কেউ। তবে এই গোটা ষড়যন্ত্রের সাথে কাবেয়ো যুক্ত ছিলেন কিনা, তা এখনো স্পষ্ট নয়। কিন্তু তার সাথে যে মার্কিন গোয়েন্দাদের যোগাযোগ ছিল, এই তথ্যে সিলমোহর দেয়া হয়েছে রিপোর্টগুলোতে।
গত ২ ডিসেম্বর গভীর রাতে (স্থানীয় সময়) মাদুরোকে অপহরণ করে করে মার্কিন সেনার ‘ডেল্টা ফোর্স’। ভেনিজুয়েলায় মাত্র দু’ঘণ্টার অভিযানে প্রেসিডেন্টের বাসভবনের শোয়ার ঘর থেকে সস্ত্রীক মাদুরোকে তুলে নিয়ে গিয়ে বন্দি করা হয়। এই অভিযানের নাম ছিল ‘অপারেশন অ্যাবসোলিউট রিজলভ’। বর্তমানে মাদুরো এবং তার স্ত্রীকে রাখা হয়েছে নিউইয়র্কের কুখ্যাত ব্রুকলিন জেলে। মাদুরোকে বন্দি করার পর আমেরিকা জানায়, নিউইয়র্কের আদালতে তার বিচার হবে।
আমেরিকার অভিযোগ, সর্বশেষ নির্বাচনে বামপন্থী মাদুরো রিগিং করে ক্ষমতায় ফিরেছিলেন। মার্কিন প্রশাসনের তীব্র আপত্তি উপেক্ষা করেই দক্ষিণ আমেরিকার তেল সমৃদ্ধ এই দেশের প্রেসিডেন্টের গদিতে ফের বসেছিলেন মাদুরো। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বরবারই মাদুরো সরকারের বিরুদ্ধে মাদক চক্র চালানোর অভিযোগ তুলেছেন। একইসাথে আমেরিকার দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে অভিবাসীদের ঢুকিয়ে দেয়ার চেষ্টার অভিযোগও রয়েছে ভেনিজুয়েলার বিরুদ্ধে।
সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন



