প্রথম পর্যায়ের চুক্তির পর গাজা পুনর্নির্মাণ করা হবে : ট্রাম্প

ট্রাম্প বলেন, ‘এখন মানুষের যত্ন নেয়া হবে। এটা একটা ভিন্ন পৃথিবী হতে চলেছে। আমি মনে করি, সত্যিই মধ্যপ্রাচ্য একত্রিত বা সংঘবদ্ধ হয়েছে।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প |সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা নিয়ে ঘোষিত ২০-দফা শান্তি পরিকল্পনার প্রথম পর্যায় বাস্তবায়নে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ইসরাইল ও হামাস। এদিকে শান্তি পরিকল্পনার প্রথম পর্যায়ের পরে গাজা পুনর্নির্মাণ করার কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প।

তিনি বলেছেন, সব পক্ষের সাথে ন্যায্য আচরণ করা হবে। এটি একটি শক্তিশালী ও চিরস্থায়ী শান্তির দিকে অগ্রসরের প্রথম পদক্ষেপ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফক্স নিউজের শন হ্যানিটির সাথে ফোনে কথা বলার সময় বলেছেন, ‘শান্তি পরিকল্পনার প্রথম পর্যায়ের পরে যা আসে তা হলো, আপনি দেখতে পাবেন মানুষ একসাথে থাকবে এবং গাজা পুনর্নির্মাণ করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘এখন মানুষের যত্ন নেয়া হবে। এটা একটা ভিন্ন পৃথিবী হতে চলেছে। আমি মনে করি, সত্যিই মধ্যপ্রাচ্য একত্রিত বা সংঘবদ্ধ হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি গাজা অনেক নিরাপদ জায়গা হতে চলেছে এবং এটা এমন একটা জায়গা হতে চলেছে যেখানে পুনর্গঠন হবে। একইসাথে এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশগুলোও এই পুনর্গঠনে সাহায্য করবে। কারণ তাদের কাছে প্রচুর সম্পদ রয়েছে এবং এটা যে ঘটছে তারা তা দেখতে চায়।’

ট্রাম্প বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আসবে, আমি খুবই আত্মবিশ্বাসী।’

ইসরাইলি সরকার এই চুক্তি অনুমোদন দিলে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। এরপর বাকি ইসরাইলি পণবন্দীদের মুক্তি দেয়া হবে এবং গাজার বেশ কিছু জায়গা থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করা হবে।

ট্রাম্পের ব্যক্তিগত উদ্যোগে শান্তির জন্য আলোচনা আরো জোরদার হয়েছে। কেবল হামাসকেই নয় তিনি ইসরাইলকেও শান্তি চুক্তির জন্য চাপ দিয়েছেন।

তবে দুই বছর পরে গাজা যুদ্ধ অবসানের এমন আশা থাকলেও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিস্তারিতভাবে আলোচনা এখনো বাকি রয়েছে। যেমন- গাজা কে পরিচালনা করবে এবং হামাসের ভবিষ্যৎ কী হবে সে পরিকল্পনা এখনো করা হয়নি।

সূত্র : বিবিসি