ভারতের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিলে সমর্থন ট্রাম্পের

চীন ও ভারতসহ রাশিয়ার তেল কেনা দেশগুলোর ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও উচ্চ শুল্ক আরোপের বিলে ট্রাম্প সমর্থন দিয়েছেন। বিলটি রুশ জ্বালানি খাতের সাথে বাণিজ্য বন্ধে চাপ সৃষ্টি করতে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ব্যাপক ক্ষমতা দেবে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প |সংগৃহীত

চীন ও ভারতসহ রাশিয়ার তেল কিনবে এমন দেশগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিলকে সমর্থন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ক্যারোলিনা রাজ্যের সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম এ কথা জানিয়েছেন।

লিন্ডসে গ্রাহাম বলেন, ‘অত্যন্ত ফলপ্রসূ’ বৈঠকের পর ট্রাম্প দ্বিদলীয় বিলটিকে ‘সবুজ সঙ্কেত’ দিয়েছেন।

ডেমোক্র্যাট রিচার্ড ব্লুমেন্থালের সাথে খসড়া করা গ্রাহামের রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা আইন, রাশিয়ার জ্বালানি খাতের সাথে ব্যবসা করে এমন দেশগুলো থেকে আমদানিতে ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা ট্রাম্পকে দেবে।

এক বিবৃতিতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কথা উল্লেখ করে গ্রাহাম বলেন, ‘এই বিলটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সেই দেশগুলোকে শাস্তি দেয়ার অনুমতি দেবে যারা সস্তায় রাশিয়ান তেল কিনে পুতিনের যুদ্ধযন্ত্রকে ইন্ধন যোগায়।’

তিনি আরো বলেন, ‘এই বিলটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে চীন, ভারত ও ব্রাজিলের মতো দেশগুলোর বিরুদ্ধে অসাধারণ ক্ষমতা প্রদান করবে, যাতে তারা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে পুতিনের রক্তপাতের জন্য অর্থায়নকারী সস্তা রাশিয়ান তেল কেনা বন্ধ করতে উৎসাহিত হয়।

সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ারের বিশ্লেষণ অনুসারে, নভেম্বর মাসে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল রফতানির প্রায় অর্ধেক চীন কিনেছে, যেখানে ভারত প্রায় ৩৮ শতাংশ রফতানি করেছে। ২০২২ সালে ইউক্রেন আক্রমণের পর ব্রাজিল ভর্তুকিযুক্ত রাশিয়ান তেল ক্রয় নাটকীয়ভাবে বাড়িয়েছে, কিন্তু সাম্প্রতিক মাসগুলিতে সেই আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।

২০২২ সালে ইউক্রেনে আগ্রাসনের পর ব্রাজিল ভর্তুকিযুক্ত রাশিয়ান তেল ক্রয় নাটকীয়ভাবে বাড়িয়ে দেয়, কিন্তু সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সেই আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের অধীনে নিষেধাজ্ঞার ওপর কাজ করা সাবেক মার্কিন ট্রেজারি কর্মকর্তা ক্যাথরিন উলফ্রাম নিষেধাজ্ঞার একটি রূপ হিসেবে শুল্কের ব্যবহারকে ‘অপরীক্ষিত হাতিয়ার’ বলে অভিহিত করেছেন।

সূত্র : আল জাজিরা