গত জুন মাসে জোড়া ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত কারাকাসের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্থাপিত অস্থায়ী টার্মিনালগুলো পরীক্ষা করতে বুধবার (১৯ আগস্ট) প্রস্তুতিমূলক মহড়া চালিয়েছে ভেনিজুয়েলা।
ভেনিজুয়েলার সিমন বলিভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি লা গুয়াইরা রাজ্যে অবস্থিত। ২৪ জুন ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এই রাজ্য।
ভূমিকম্পে ছয় হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কয়েক ডজন ভবন ধসে পড়েছে।
ভূমিকম্পে বিমানবন্দরের অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রধান রানওয়েটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে কয়েক সপ্তাহ ধরে বিমানবন্দরের কার্যক্রম শুধু মানবিক সহায়তার ফ্লাইটে সীমিত ছিল।
বুধবারের মহড়ায় এমন কিছু এলাকা পরীক্ষা করা হয়, যার মাধ্যমে বিমানবন্দরটি আগের সক্ষমতার ৪০ শতাংশে কার্যক্রম চালাতে পারবে।
যুক্তরাষ্ট্র নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর জানুয়ারিতে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেয়া ডেলসি রড্রিগেজ যত দ্রুত সম্ভব বিমানবন্দরটি পুনরায় চালুর পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন।
ভূমিকম্পের পর যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে কারিগরি ও লজিস্টিক সহায়তা দিয়ে ভেনিজুয়েলার বিমান চলাচল কার্যক্রমে সহযোগিতা করে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোর বাইরে বিশাল তাঁবুতে দু’টি অস্থায়ী বহির্গমন টার্মিনাল এবং আরো দু’টি আগমন টার্মিনাল স্থাপন করা হয়েছে।
৫ আগস্ট থেকে কার্গো ফ্লাইট পুনরায় চালু হয়েছে। তবে যাত্রীবাহী ফ্লাইট কবে চালু হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।
সূত্র: বাসস



