যুক্তরাষ্ট্রের সাথে উত্তেজনার মধ্যে রুশ উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পেল ভেনেজুয়েলা

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে উত্তেজনার মধ্যে ভেনেজুয়েলা রাশিয়া থেকে উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘পান্তসির এফ-১’ এবং ‘বুক-এম২ই’ গ্রহণের মাধ্যমে নিজের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করেছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে উত্তেজনার মধ্যে রুশ উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পেল ভেনেজুয়েলা
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে উত্তেজনার মধ্যে রুশ উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পেল ভেনেজুয়েলা |পার্সটুডে

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে উত্তেজনার মধ্যে ভেনেজুয়েলা রাশিয়া থেকে উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘পান্তসির এফ-১’ এবং ‘বুক-এম২ই’ গ্রহণের মাধ্যমে নিজের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করেছে।

যখন ক্যারিবীয় সাগরে মার্কিন সেনাবাহিনীর উসকানিমূলক সামরিক উপস্থিতি বাড়ছে, তখন মস্কো ও কারাকাসের সরকারি সূত্রগুলো একথা নিশ্চিত করেছে, রাশিয়া থেকে পাঠানো উন্নত অস্ত্র সরঞ্জাম এবং কাঁধে বহনযোগ্য হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম চালান ভেনেজুয়েলায় পৌঁছেছে। এছাড়া রাশিয়া হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের মতো আরো উন্নত কৌশলগত অস্ত্র পাঠানোর হুমকি দিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের যুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রিসভাতেও মতবিরোধ দেখা দিয়েছে।

দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তির আওতায় রাশিয়া এসব অস্ত্র সরবরাহ করছে। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সতর্ক করে বলেছেন, ‘ভেনেজুয়েলার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় রাশিয়া দৃঢ়ভাবে পাশে থাকবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো সামরিক পদক্ষেপ গোটা অঞ্চলকে আরো অস্থিতিশীল করে তুলবে।’

রুশ সূত্রগুলো আরো জানিয়েছে, রাশিয়া ভেনেজুয়েলাকে দীর্ঘপাল্লার ‘কালিবর’ ক্রুজ মিসাইল এবং নতুন প্রজন্মের ‘ওরেশনিক’ হাইপারসনিক মিসাইল সরবরাহের বিষয়টিও বিবেচনা করছে। এই অস্ত্রগুলো কারাকাসের কৌশলগত অবস্থানকে আমূল পাল্টে দিতে পারে।

এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন ‘ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড’ বিমানবাহী রণতরী, পারমাণবিক সাবমেরিন এবং হাজার হাজার মার্কিন মেরিন মোতায়েন করে গোটা অঞ্চলে নিজেদের সবচেয়ে বড় সামরিক উপস্থিতি প্রদর্শন করছে। তবে ওয়াশিংটন থেকে ফাঁস হওয়া প্রতিবেদনগুলোতে জানা গেছে, মার্কিন প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ে এখনো এ বিষয়ে ব্যাপক দ্বিধার মধ্যে রয়েছে ও নিজেদের মধ্যে মতবিরোধ বিরাজ করছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদোর মতো কট্টরপন্থীরা এখনো যুদ্ধের দাবিতে সোচ্চার। কিন্তু লাতিন আমেরিকার প্রতিরোধ অক্ষ নিজেদের প্রতিরক্ষা ও প্রতিরোধ শক্তি বাড়িয়ে ওয়াশিংটনের কৌশলগত হিসাবকে গভীর সঙ্কটে ফেলে দিয়েছে।

সূত্র : পার্সটুডে