আদালতের আদেশ সত্ত্বেও অভিবাসীদের দক্ষিণ সুদানে নির্বাসিত যুক্তরাষ্ট্রের

আদালতের আদেশ সত্ত্বেও মার্কিন অভিবাসন কর্মকর্তারা প্রায় ১২ জন অভিবাসীকে দক্ষিণ সুদানে নির্বাসন শুরু করেছেন।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট
মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট |সংগৃহীত

মার্কিন অভিবাসন কর্মকর্তারা প্রায় ১২ জন দক্ষিণ এশীয় অভিবাসীকে দক্ষিণ সুদানে নির্বাসন শুরু করেছেন। মঙ্গলবার আদালতের দায়ের করা নথি ও মিডিয়া রিপোর্ট অনুসারে এ তথ্য জানা গেছে।

ফরাসি বার্তাসংস্থা এএফপির সূত্রে বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে বাসস।

অভিবাসন আইনজীবীরা এক ডিটেনশন অফিসারের ইমেল থেকে জানতে পেরেছেন, ‘এন.এম’ নামে পরিচিত এক বার্মিজ নাগরিককে দক্ষিণ সুদানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। দ্বিতীয় অভিবাসী ভিয়েতনামের নাগরিক, যাকে নথিতে টি.টি.পি. হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, অন্তত আরো ১০ জনের সাথে একই পরিণতি ভোগ করেছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

আইনজীবীরা বলেছেন, অপসারণ পূর্ববর্তী আদেশের লঙ্ঘন উল্লেখ করে তারা সর্বশেষ গত ৭ মে একটি জরুরি প্রস্তাব দাখিল করেছিলেন, যখন মিডিয়া রিপোর্টে ইঙ্গিত দেয়া হয়েছিল অভিবাসন কর্মকর্তারা এন.এম ও অন্যান্যদের লিবিয়া এবং সৌদি আরবে নির্বাসন দিতে চাচ্ছেন।

নথিতে বলা হয়েছে, আদালত বাদীদের পক্ষে রায় দিয়েছে এবং তিন বা চার ঘণ্টা ঘাঁটির টারম্যাকে বসে থাকার পর অবশেষে পুরুষদের একটি অভিবাসন আটক কেন্দ্রে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

এতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, ‘দক্ষিণ সুদানে একটি ত্রুটিপূর্ণ শান্তি চুক্তি এ সপ্তাহে ভেঙে গেছে এবং এন.এমকে এমন একটি দেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে যা এখন পূর্ণাঙ্গ ও বিপর্যয়কর গৃহযুদ্ধের দিকে ফিরে যাচ্ছে।’

হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্যের অনুরোধের জবাব দেয়নি।

এপ্রিলের শুরুর দিকে প্রশাসন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্রমবর্ধমান অভিবাসন বিরোধী প্ল্যাটফর্মের অংশ হিসেবে দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের জন্য ভিসা নিষিদ্ধ করে।

রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘বিদেশী অপরাধীদের’ আক্রমণের মুখোমুখি।

গত ফেব্রুয়ারিতে, ট্রাম্প যুদ্ধকালীন আইন প্রয়োগ করে প্রায় ২৫০ জন ভেনেজুয়েলা অভিবাসীকে কোনো আদালতের শুনানি ছাড়াই এল সালভাদরে পাঠান। তাদের বিরুদ্বে অভিযোগ, তারা ট্রেন ডি আরাগুয়া গ্যাংয়ের সদস্য। তবে এ অভিযোগ তাদের পরিবার ও আইনজীবীরা অস্বীকার করেছেন।