যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বৃহস্পতিবার প্রায় ২০০ মার্কিন মেরিন সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। তারা দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় এই রাজ্যে চলমান অভিবাসনবিরোধী অভিযানগুলোতে প্রশাসনিক ও লজিস্টিক সহায়তা দেবে।
ওয়াশিংটন থেকে বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, এই মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের অনুরোধে প্রথম ধাপে করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই)-কে সহায়তা দেয়া হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রধান অগ্রাধিকার অভিবাসন দমন কার্যক্রম সফল করতেই এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ৭০০ সেনা মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণের অঙ্গরাজ্য লুইজিয়ানা ও টেক্সাসেও অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
মার্কিন নর্দার্ন কমান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই মিশনে অংশ নেয়া সেনা সদস্যরা আইসিই’র বিভিন্ন স্থাপনায় আইন প্রয়োগের সাথে জড়িত নয় এমন দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের দায়িত্ব হবে প্রশাসনিক ও লজিস্টিক কেন্দ্রিক। আইসিই হেফাজতে থাকা ব্যক্তিদের সাথে সরাসরি কোনো যোগাযোগ বা হেফাজত প্রক্রিয়ার কোনো অংশে জড়িত থাকতে নিষেধ করা হয়েছে।
সপ্তাহের শুরুতে ফ্লোরিডায় নতুন এক অভিবাসী আটককেন্দ্র পরিদর্শনে যান ট্রাম্প। ‘অ্যালিগেটর আলকাট্রাজ’ নামে পরিচিত এই কেন্দ্রটিতে একসাথে এক হাজার বন্দীকে রাখা যায়।
সেনা মোতায়েনের বিষয়টি আসে এক মাসের মাথায়, যখন ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে চার হাজার ন্যাশনাল গার্ড সদস্য ও ৭০০ মেরিন সেনা পাঠায় ট্রাম্প প্রশাসন। আইসিই পরিচালিত অভিবাসনবিরোধী অভিযানের প্রতিবাদে সেখানে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ক্যালিফোর্নিয়ার কর্মকর্তারা এই পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করে বলেন, সামরিক বাহিনীর ব্যবহার পরিস্থিতিকে আরো উত্তপ্ত করেছে, যা স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সামাল দিতে পারত।
তবে ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, অশান্তি দমন এবং ফেডারেল সম্পদ ও কর্মীদের রক্ষা করতে এই মোতায়েন জরুরি ছিল।
সূত্র : বাসস



