মিনেসোটায় অভিবাসন অভিযানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের জেরে জরুরি আইন প্রয়োগের এখনই কোনো প্রয়োজন নেই বলে গতকাল শুক্রবার জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
জরুরি আইনটি প্রয়োগের হুমকি দেয়ার এক দিন পর তিনি এ কথা বলেন।
সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, ফেডারেল কর্মকর্তাদের কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে বিচার বিভাগ মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের গভর্নর টিম ওয়াল্জ ও মিনিয়াপোলিসের মেয়র জ্যাকব ফ্রেকে তদন্ত করছে। এই পরিস্থিতিতে এমন একটি পদক্ষেপ হোয়াইট হাউস ও মিনেসোটার মধ্যে চলমান অচলাবস্থাকে আরো উসকে দেবে।
তারা উভয়ই তাদের রাজ্যে অভিবাসন অভিযানের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন।
ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (ডিওজে) এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
চলতি সপ্তাহে ট্রাম্প ও মিনেসোটার নেতাদের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার মধ্যেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কঠোর পদক্ষেপের হুমকি দিয়েছিলেন, যা তাকে বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণ করতে সামরিক বাহিনী মোতায়েন করার অনুমতি দিত।
হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকরা অভ্যন্তরীণভাবে সৈন্য মোতায়েনের অনুমোদনকারী আইন সম্পর্কে জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, ‘যদি আমার এটির প্রয়োজন হতো, আমি এটি ব্যবহার করতাম। এখনই এটি ব্যবহার করার কোনো কারণ আছে বলে আমি মনে করি না।’
বিদ্রোহ আইন বা ইনসারেকশন অ্যাক্ট প্রেসিডেন্টকে ‘সশস্ত্র বিদ্রোহ’ বা ‘সহিংসতা’ দমন করার জন্য পোসে কমিট্যাটাস আইনকে এড়িয়ে যেতে এবং ঊনবিংশ শতাব্দীর আইন প্রয়োগের জন্য যতটা প্রয়োজন মনে করেন’ সশস্ত্র বাহিনী ব্যবহার করার অনুমতি দেয়।
মিনিয়াপোলিস শহরজুড়ে বিক্ষোভকারীদের সাথে অভিবাসন কর্মকর্তাদের সংঘর্ষ হয়েছে।
বিক্ষোভকারীরা অবৈধ অভিবাসীদের ধরতে চালানো অভিযানের বিরোধিতা করেছে এবং এ সময় কিছু কর্মকর্তা তাদের সাথে সহিংসতায় জড়িয়ে পড়ে।
গত ৭ জানুয়ারি মিনিয়াপোলিসে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) কর্মকর্তার গুলিতে ৩৭ বছর বয়সী রেনি নিকোল গুড নিহত হওয়ার পর এই বিক্ষোভ বৃদ্ধি পায়। ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসীদের ধরতে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র : বাসস



