ইউরোপে মোতায়েন থাকা মার্কিন সেনা ও সামরিক সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে মূল্যায়ন শুরু করেছে ওয়াশিংটন। মার্কিন কর্মকর্তারা সোমবার (২৭ জুলাই) এ তথ্য জানিয়েছেন।
গত মাসে ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোর প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের সাথে বৈঠকে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছিলেন, ইউরোপে মোতায়েন থাকা মার্কিন সামরিক শক্তির বিষয়ে একটি মূল্যায়ন করা হবে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা উপমন্ত্রী এলব্রিজ কলবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘মন্ত্রী হেগসেথ আগেই জানিয়েছিলেন, এটি হবে একটি পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা। এর উদ্দেশ্য হলো নিশ্চিত করা যে, ন্যাটো দ্রুত এবং স্থায়ীভাবে এমন এক পথে এগিয়ে যাচ্ছে, যেখানে ইউরোপ তার নিজস্ব প্রতিরক্ষার প্রধান দায়িত্ব গ্রহণ করবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘এই পর্যালোচনার ফলে ন্যাটো আরো শক্তিশালী, আরো সমান দায়িত্বশীল এবং দীর্ঘমেয়াদে টেকসই একটি জোটে পরিণত হবে।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগে ইউরোপীয় মিত্রদের সমালোচনা করেছেন। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের সময় তাদের অবস্থান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি।
ট্রাম্পের অভিযোগ, সংঘাতের শুরুতে ইউরোপীয় দেশগুলো মার্কিন বাহিনীকে তাদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল।
এদিকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথও সতর্ক করে বলেছেন, ন্যাটোর সদস্য দেশগুলো যদি নির্ধারিত প্রতিরক্ষা ব্যয়ের লক্ষ্য পূরণ না করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র জোটে নিজের অর্থায়ন কমিয়ে দিতে পারে।
ওয়াশিংটন দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপকে জানিয়ে আসছে যে, ইউরোপীয় দেশগুলোকেই তাদের নিজস্ব প্রচলিত প্রতিরক্ষার মূল দায়িত্ব নিতে হবে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে চীনের দিকে কৌশলগত মনোযোগ বাড়াতে চায়।
এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পেন্টাগন ইতোমধ্যে ন্যাটো মিত্রদের জানিয়েছে যে, বিশ্বজুড়ে ন্যাটো অভিযানের জন্য যে পরিমাণ সামরিক সক্ষমতা বা সম্পদ যুক্তরাষ্ট্র সরবরাহ করে, তার পরিমাণ কমানো হচ্ছে।
সূত্র: বাসস



