কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের উদ্যোগ পেরু ও ভেনিজুয়েলার

গত ২০২৪ সালে ভেনিজুয়েলার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর বিতর্কিত নির্বাচনী জয়কে কেন্দ্র করে সম্পর্ক ছিন্ন করার পর পেরু ও ভেনিজুয়েলা আবার কূটনৈতিক সম্পর্ক চালু করতে যাচ্ছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
পেরু ও ভেনিজুয়েলার পতাকা
পেরু ও ভেনিজুয়েলার পতাকা |সংগৃহীত

গত ২০২৪ সালে ভেনিজুয়েলার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর বিতর্কিত নির্বাচনী জয়কে কেন্দ্র করে সম্পর্ক ছিন্ন করার পর পেরু ও ভেনিজুয়েলা আবার কূটনৈতিক সম্পর্ক চালু করতে যাচ্ছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ঘোষণা দিয়েছে।

২০২৪ সালের জুলাইয়ে লিমা ভেনিজুয়েলার নির্বাচনে তৎকালীন ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট মাদুরোর পরিবর্তে বিরোধী নেতাকে বিজয়ী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার পর কারাকাস পেরুর সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে। ভেনিজুয়েলার নির্বাচন কর্তৃপক্ষ অবশ্য মাদুরোকেই বিজয়ী ঘোষণা করেছিল।

তবে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী মাদুরোকে আটক করে নিয়ে যায়। এরপর তার স্থলাভিষিক্ত হন অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট এবং ওয়াশিংটনের মিত্র ডেলসি রদ্রিগেজ।

দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পেরু ও ভেনিজুয়েলার কূটনৈতিক সম্পর্ক ধীরে ধীরে পুনরায় স্বাভাবিক করা হবে।

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ‘পেরু প্রজাতন্ত্রের সরকার এবং ভেনিজুয়েলার বলিভারিয়ান প্রজাতন্ত্রের সরকার আনন্দের সাথে ঘোষণা করছে যে, তারা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুরোপুরি পুনঃস্থাপনের জন্য একটি ধাপে ধাপে প্রক্রিয়া শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

শুক্রবার এক সামরিক অনুষ্ঠানে ডেলসি রদ্রিগেজ বলেন, ‘ভেনিজুয়েলাকে শান্তির লক্ষ্যে বলিভারিয়ান কূটনীতির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পরিচালনা করতে হবে।’

পেরুর রক্ষণশীল প্রেসিডেন্ট-নির্বাচিত কেইকো ফুজিমোরি আগামী ২৮ জুলাই দায়িত্ব নেয়ার কয়েক দিন আগে এই ঘোষণা এলো।

কলম্বিয়ার পর ভেনিজুয়েলার অভিবাসীদের সবচেয়ে বড় আশ্রয়দাতা দেশ হলো পেরু। দেশটিতে বর্তমানে ১৬ লাখের বেশি ভেনিজুয়েলার নাগরিক বসবাস করছেন।

সূত্র: বাসস