ইরানের ইউরেনিয়াম ‘যুক্তরাষ্ট্রে’ নিয়ে আসা হবে : ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সাথে কোনো শান্তি চুক্তি হলে উভয় দেশ মিলে খননযন্ত্র (এক্সকাভেটর) দিয়ে দেশটির পরমাণু কেন্দ্রগুলো থেকে ইউরেনিয়াম অপসারণ করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসা হবে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প |সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সাথে কোনো শান্তি চুক্তি হলে উভয় দেশ মিলে খননযন্ত্র (এক্সকাভেটর) দিয়ে দেশটির পরমাণু কেন্দ্রগুলো থেকে ইউরেনিয়াম অপসারণ করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসা হবে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) অ্যারিজোনার এক সমাবেশে তিনি এই মন্তব্য করেন। অথচ এর আগেই ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল যে, তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত অন্য কোথাও পাঠানো হবে না।

ট্রাম্প বলেন, ‘অনেকে প্রশ্ন করেছেন, আমরা এই পরমাণু ধূলিকণা (নিউক্লিয়ার ডাস্ট) কিভাবে সংগ্রহ করব? আমরা ইরানের সাথে যৌথভাবে প্রচুর খননযন্ত্র নিয়ে সেখানে যাব এবং তা তুলে আনব।’

তিনি আরো বলেন, ‘এর জন্য আপনার কল্পনার চাইতেও বড় বড় খননযন্ত্রের প্রয়োজন হবে। তবে আমরা ইরানের সাথে একসাথেই সেখানে যাব। আমরা তা সংগ্রহ করে খুব দ্রুতই যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসব।’

এর আগে গত বৃহস্পতিবার ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরান তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করতে রাজি হয়েছে। তবে সেই প্রক্রিয়ার বিস্তারিত কোনো তথ্য তিনি দেননি। শুক্রবারের বক্তব্যে তিনি সেই দাবির পক্ষেই আরো বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিলেন।

ইরান পারমাণবিক বোমা তৈরির জন্য ইউরেনিয়াম মজুত করছে- এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। দেশটির এই ইউরেনিয়াম মজুতকে ট্রাম্প প্রায়ই ‘পরমাণু ধূলিকণা’ হিসেবে অভিহিত করেন। তবে কখনো কখনো গত বছরের জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলার পর অবশিষ্ট ধ্বংসাবশেষ বোঝাতেও তিনি এ শব্দটি ব্যবহার করে থাকেন।

ইরানের সাথে শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে ট্রাম্পকে শুক্রবার বেশ আশাবাদী মনে হয়েছে। তিনি বার্তাসংস্থা এএফপিকে জানান, চুক্তির পথে বড় কোনো ‘বাধা’ নেই এবং একটি চুক্তি হওয়ার সময় ‘খুবই ঘনিয়ে এসেছে’।

সূত্র: বাসস