যুক্তরাষ্ট্রের সাথে জ্বালানি, খনি ও বিমান ক্রয় নিয়ে আলোচনা হবে : ইরান

‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেছেন, তিনি কূটনীতি ও আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চান। যদিও কেউ কখনো ইরানের সাথে সফল চুক্তি করতে পারেনি; তবে আমরা চেষ্টা করব।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
তেহরানে ইসলামী বিপ্লবের ৪৭তম বার্ষিকীতে প্রদর্শিত ক্ষেপণাস্ত্র
তেহরানে ইসলামী বিপ্লবের ৪৭তম বার্ষিকীতে প্রদর্শিত ক্ষেপণাস্ত্র |রয়টার্স

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক কূটনীতির উপ-পরিচালক হামিদ ঘানবারি বলেছেন, ‘তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে দ্বিতীয় দফা আলোচনায় তেল ও গ্যাস ক্ষেত্র, খনির বিনিয়োগ ও বিমান ক্রয়ের ক্ষেত্রে সাধারণ স্বার্থ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।’

এদিকে আলোচনার আগে রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) একজন ইরানি কূটনীতিক বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সাথে একটি পারমাণবিক চুক্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ইরান, যা উভয় পক্ষের জন্য অর্থনৈতিক সুবিধা বয়ে আনবে।’

তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কয়েক দশক ধরে চলমান বিরোধ মেটাতে এবং নতুন সামরিক সঙ্ঘাত এড়াতে ইরান ও আমেরিকা এই মাসের শুরুতে আলোচনা পুনরায় শুরু করেছে।

তবে, মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চলে (মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায়) দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী পাঠিয়েছে। আলোচনা সফল না হলে একটি সামরিক অভিযানের জন্য প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।

অন্যদিকে মার্কিন বাহিনী যদি ইরানে আক্রমণ করে তবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে। কিন্তু রোববার তারা একটি সমঝোতার নীতি গ্রহণ করেছে।

ব্রাতিস্লেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেছেন, তিনি কূটনীতি ও আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চান। যদিও কেউ কখনো ইরানের সাথে সফল চুক্তি করতে পারেনি; তবে আমরা চেষ্টা করব।’

সূত্র : রয়টার্স