খাড়গ দ্বীপে তেল ছড়িয়ে পড়ার খবরটি মিথ্যা : ইরানের তেল টার্মিনালগুলোর সিইও

‘গল্প রচয়িতারা দাবি করছেন, দাগটি সমুদ্রের দিকে যাচ্ছে। অথচ উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্বে যে গতিতে বাতাস বইছে, তাতে কোনো আস্তরণ থাকলে তা উপকূলের দিকে আসার কথা ছিল।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ইরানের খাড়গ দ্বীপে তেল ছড়িয়ে পড়ার দৃশ্য
ইরানের খাড়গ দ্বীপে তেল ছড়িয়ে পড়ার দৃশ্য |বিবিসি

ইরানের তেল টার্মিনাল কোম্পানিগুলোর প্রধান নির্বাহী (সিইও) আব্বাস আসাদরোজ খাড়গ দ্বীপের উপকূলে তেলের আস্তরণ তৈরির খবরকে বাস্তবতাবিবর্জিত মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

ইরানি সংবাদমাধ্যমে সিইও আব্বাস আসাদরোজ বলেছেন, ‘খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পরপরই স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা, রাসায়নিক বিভাগ ও ল্যাবরেটরির বিশেষজ্ঞ দল পুরো এলাকা পর্যবেক্ষণ করেছে। কিন্তু দূষণের সামান্যতম চিহ্নও পাওয়া যায়নি।’

তার মতে, আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের মিমাক সেন্টার অথবা ইরান, কারো কাছেই ওই এলাকার দূষণ সংক্রান্ত কোনো রিপোর্ট নেই।

আসাদরোজ আরো বলেন, ‘গল্প রচয়িতারা দাবি করছেন, দাগটি সমুদ্রের দিকে যাচ্ছে। অথচ উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্বে যে গতিতে বাতাস বইছে, তাতে কোনো আস্তরণ থাকলে তা উপকূলের দিকে আসার কথা ছিল।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ কনফ্লিক্ট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট অবজারভেটরি নামক একটি এনজিওর করা পোস্টের সমালোচনাও করছিলেন আসাদরোজ।

ওই সংস্থাটি দাবি করেছিল, ‘একটি অজ্ঞাত উৎস থেকে তৈরি তেলের আস্তরণ দক্ষিণ দিকে ছড়িয়ে পড়ছে এবং তা ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে না।’

এদিকে, বুশেহরের প্রতিনিধি জাফর পুরকাবগানি ইরানের পার্লামেন্টে সমুদ্রে তেল নিঃসরণের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তবে তিনি দাবি করেছেন, ‘এই দাগগুলো মূলত একটি ইউরোপীয় ট্যাঙ্কার থেকে সমুদ্রে ফেলা বর্জ্য ও তেলের মিশ্রণ, যা পরিবেশের ক্ষতি করছে।’

সূত্র : বিবিসি