যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে রাফাহ ক্রসিং পুনরায় খুলতে রাজি হলো ইসরাইল

অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের আরোপিত ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনার প্রথম ধাপে গাজায় ইসরাইলের গণহত্যামূলক যুদ্ধের অবসান ঘটানো, ইসরাইলি কর্তৃপক্ষকে ফিলিস্তিনে মানবিক সহায়তা প্রবেশের অনুমতি দেয়া এবং রাফাহ ক্রসিং উভয় দিকেই খুলে দিতে বলা হয়েছিল।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
গাজা উপত্যকা ও মিসরের মধ্যবর্তী রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং
গাজা উপত্যকা ও মিসরের মধ্যবর্তী রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং |সংগৃহীত

ইসরাইলি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে ফেরার পর গাজা উপত্যকা ও মিসরের মধ্যবর্তী রাফাহ সীমান্ত ক্রসিংটি উভয় দিকেই পুনরায় খুলতে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ইসরাইলের সংবাদমাধ্যম কান-১১ জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপের ফলেই এ সিদ্ধান্ত এসেছে।

গাজার ফিলিস্তিনিদের জন্য বহির্বিশ্বে যাওয়ার একমাত্র পথ ছিল রাফাহ ক্রসিং। তবে ২০২৪ সালের মে মাসে ইসরাইলি বাহিনী ক্রসিংটির ফিলিস্তিনি অংশ দখল করে। পরে সেখানে থাকা ভবনগুলো ধ্বংস করে এবং যাতায়াত বন্ধ করে দেয়। ফলে ফিলিস্তিনি নাগরিক বিশেষ করে রোগীদের জন্য মারাত্মক মানবিক সঙ্কট সৃষ্টি হয়।

রাফাহ ক্রসিং দখলের মাধ্যমে গত ২০ বছরে প্রথমবারের মতো ইসরাইলি বাহিনী সরাসরি সীমান্ত ক্রসিংটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। পরে তারা ফিলাডেলফি করিডরজুড়ে একটি সামরিক বাফার জোনে সৈন্য মোতায়েন করে, যেখানে তারা আজও অবস্থান করছে।

কান নিউজ জানায়, নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের সাথে সাক্ষাতের আগে রাফাহ ক্রসিং উভয় দিকেই পুনরায় খোলার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল, তবে সে সময় পদক্ষেপটি স্থগিত রাখা হয়।

উল্লেখ্য, অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের আরোপিত ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনার প্রথম ধাপে গাজায় ইসরাইলের গণহত্যামূলক যুদ্ধের অবসান ঘটানো, ইসরাইলি কর্তৃপক্ষকে ফিলিস্তিনে মানবিক সহায়তা প্রবেশের অনুমতি দেয়া এবং রাফাহ ক্রসিং উভয় দিকেই খুলে দিতে বলা হয়েছিল।

সূত্র : আলজাজিরা