জাতিসঙ্ঘে ইউক্রেন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের বাগ্বিতণ্ডা

বৈঠকে জাতিসঙ্ঘে নিযুক্ত মার্কিন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ডরোথি শিয়া বলেন, বিশ্বের সব দেশ, বিশেষ করে চীন, যেন এমন দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য পণ্যের রফতানি বন্ধ করে, যা রাশিয়ার সামরিক শিল্পের পাশাপাশি ইউক্রেনের ওপর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে সহায়তা করে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
জাতিসঙ্ঘে চীনের উপ-রাষ্ট্রদূত গেং শুয়াং
জাতিসঙ্ঘে চীনের উপ-রাষ্ট্রদূত গেং শুয়াং |সংগৃহীত

জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে শুক্রবার ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়েছে। চীনকে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, তাদের উচিত ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনে ইন্ধন যোগানো বন্ধ করা। অপরদিকে চীন অভিযোগ করেছে, ওয়াশিংটন অন্যের ওপর দায় চাপিয়ে সংঘাত উসকে দিচ্ছে।

বৈঠকে জাতিসঙ্ঘে নিযুক্ত মার্কিন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ডরোথি শিয়া বলেন, বিশ্বের সব দেশ, বিশেষ করে চীন, যেন এমন দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য পণ্যের রফতানি বন্ধ করে, যা রাশিয়ার সামরিক শিল্পের পাশাপাশি ইউক্রেনের ওপর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে সহায়তা করে।

ইউক্রেন-বিষয়ক ১৫ সদস্যের জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে তিনি অভিযোগ করেন, চীনের পক্ষ থেকে কঠোর রফতানি নিয়ন্ত্রণ আরোপের দাবি অকার্যকর প্রমাণিত হচ্ছে। প্রতিদিন রুশ অস্ত্র, ড্রোন ও যানবাহনে চীনে উৎপাদিত উপাদান পাওয়া যাচ্ছে।

এর জবাবে জাতিসঙ্ঘে চীনের উপ-রাষ্ট্রদূত গেং শুয়াং বলেন, ‘চীন ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরু করেনি। সংঘাতের কোনো পক্ষেও নেই, কখনো প্রাণঘাতী অস্ত্র সরবরাহ করেনি এবং সর্বদা ড্রোন রফতানিসহ দ্বৈত-ব্যবহারের উপকরণ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করেছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি যেন তারা ইউক্রেন ইস্যুতে দোষ চাপানো বা উত্তেজনা তৈরি বন্ধ করে এবং এর পরিবর্তে যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনার প্রচারে আরো গঠনমূলক ভূমিকা পালন করে।’

এর আগে, বার্তাসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানায়, চীনে তৈরি ইঞ্জিন রাশিয়ার একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ড্রোন কোম্পানিকে সরবরাহ করা হয়েছে। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এড়াতে এগুলোকে শিল্পে ব্যবহৃত ইঞ্জিন হিসেবে দেখানো হয়েছে।

সূত্র : রয়টার্স