নির্বাচনী ইশতেহারে পুঁজিবাজার সংস্কার পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করায় জামায়াতে ইসলামীকে ডিবিএ’র ধন্যবাদ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে। ইশতেহারে অন্যান্য খাতের পাশাপাশি পুঁজিবাজার সংস্কার ও উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে দলটি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

Location :

Dhaka City
ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)
ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) |নয়া দিগন্ত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে। ইশতেহারে অন্যান্য খাতের পাশাপাশি পুঁজিবাজার সংস্কার ও উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে দলটি।

ইশতেহারে পুঁজিবাজার বিষয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো হলো—১) শেয়ারবাজারে সব ধরনের অনিয়ম ও কারসাজি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ। ২) আস্থাহীনতা দূর করে বাজারকে গতিশীল ও কার্যকর করা। ৩) শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির সাথে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা।

জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী ইশতেহারে পুঁজিবাজার সংস্কার ও উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে পুঁজিবাজারের স্টক ব্রোকারদের সংগঠন ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ডিবিএ’র প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম এক প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ধন্যবাদ জানান। একই সাথে তিনি দলের আমির ডা: শফিকুর রহমানসহ শীর্ষ নীতিনির্ধারকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সাইফুল ইসলাম বলেন, অতীতে রাজনৈতিক দলগুলো পুঁজিবাজারকে যথাযথ গুরুত্ব দেয়নি। দীর্ঘদিন ধরে ডিবিএ সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে বৈঠক, সভা ও সেমিনারের মাধ্যমে পুঁজিবাজারকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া এবং নীতিগত সহায়তা প্রদানের দাবি জানিয়ে আসছে।

এই প্রথম রাজনৈতিক দলগুলো পুঁজিবাজারকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং এ খাতের সংস্কার ও উন্নয়ন নিয়ে সুস্পষ্ট পরিকল্পনা জনগণের সামনে উপস্থাপন করেছে। জামায়াতে ইসলামীর ইশতেহারে পুঁজিবাজার অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে ডিবিএ’র দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে।

ডিবিএ আশা প্রকাশ করেছে, ঘোষিত ইশতেহারের যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে পুঁজিবাজারের টেকসই উন্নয়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, বাজারে আস্থা পুনরুদ্ধার এবং সামগ্রিক গতিশীলতা আরো ত্বরান্বিত হবে।