ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজি’র দাম কমাল সরকার

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ কেজির এক সিলিন্ডার এলপিজি’র দাম ১৫ টাকা কমিয়ে এক হাজার ৩৪১ টাকা নির্ধারণ করেছে বিইআরসি, যা আগে ছিল এক হাজার ৩৫৬ টাকা।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
গ্যাস সিলিন্ডার
গ্যাস সিলিন্ডার |সংগৃহীত

অর্থমন্ত্রণালয় এলপিজি’র মূল্য সংযোজন কর (মুসক) আমদানি পর্যায়ে ৭ দশমিক ৫ ভাগ হার নির্ধারণ করায়, ফেব্রুয়ারি মাসের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ কেজির এক সিলিন্ডার এলপিজি’র দাম ১৫ টাকা কমিয়ে এক হাজার ৩৪১ টাকা নির্ধারণ করেছে বিইআরসি, যা আগে ছিল এক হাজার ৩৫৬ টাকা।

সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকেই এ নতুন মূল্য কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন।

বিইআরসি সচিব মো: নজরুল ইসলাম সরকার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেসরকারি এলপিজি’র রিটেইলার পর্যায়ে মূসকসহ প্রতি কেজির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১১১ দশমিক ৭৯ টাকা। সেই হিসেবে সাড়ে পাঁচ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৬২২ টাকা থেকে কমিয়ে ৬১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর ১৫ কেজি সিলিন্ডারের নতুন দাম এক হাজার ৬৭৭ টাকা, যা আগে ছিল এক হাজার ৬৯৫ টাকা।

এছাড়া বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত ৪৫ কেজির বড় সিলিন্ডারের দাম পাঁচ হাজার ৮৫ টাকা থেকে কমিয়ে পাঁচ হাজার ৩১ টাকা করা হয়েছে। রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে সরবরাহকৃত এলপিজি’র দাম মূসকসহ প্রতি কেজি ১০৮ টাকা চার পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। যার আগের মূল্য ছিল ১০৯ দশমিক ২৯ পয়সা।

এলপিজি’র পাশাপাশি পরিবহনে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও কমানো হয়েছে।

মুসকসহ প্রতি লিটার অটোগ্যাস ৬২ দশমিক ১৪ টাকা থেকে কমিয়ে ৬১ দশমিক ৮৬ টাকা করা হয়েছে।

বেসরকারি গ্যাসের দাম কমলেও সরকারি কোম্পানি এলপি গ্যাস লিমিটেড (এলপিজিএল) সরবরাহকৃত ১২ দশমিক ৫০ কেজি সিলিন্ডারের ভোক্তা পর্যায়ের দাম ৭৭৬ দশমিক ৯৩ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

কোনো পর্যায়েই নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি ও অটোগ্যাস বিক্রি করা যাবে না বলেও জানিয়েছে কমিশন।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি সর্বশেষ এলপিজির দাম সমন্বয় করা হয়েছিল।

সেই সময় ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৫০ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৩৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। বাসস