বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ভোজ্যতেলের সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার নিবিড়ভাবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে সরবরাহ অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে।
আজ রোববার রাজধানীর বাজারে ভোজ্যতেলের সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আজ বিকেলে কারওয়ান বাজারের চিকেন মার্কেট এলাকায় বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখেন তিনি। এ সময় মন্ত্রী ডিলার, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে সরবরাহ ব্যবস্থা ও বাজার পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শনকালে খুচরা বিক্রেতারা জানান, ভোজ্যতেলের সরবরাহ আগের তুলনায় বেড়েছে। ডিলারদের পক্ষ থেকেও সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানানো হয়।
পাঁচ লিটার বোতলজাত তেলের চাহিদা বেশি উল্লেখ করে বিক্রেতারা বলেন, ক্রেতারা এখন খোলা তেলের পরিবর্তে বোতলজাত তেলের প্রতি বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, ৫ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ৯৭০ থেকে ৯৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পূর্বের সরবরাহকৃত ১ লিটার ও ২ লিটার বোতলজাত তেল যথাক্রমে ১৯৫ টাকা ও ৩৯০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।
সাধারণ ক্রেতাদের সাথেও কথা বলেন মন্ত্রী। ক্রেতারা জানান, বাজারে তেল পাওয়া যাচ্ছে এবং সরবরাহ পরিস্থিতি আগের তুলনায় উন্নত হয়েছে।
পরিদর্শন শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘ভোজ্যতেলের সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার নিবিড়ভাবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে সরবরাহ অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে। ডিলার ও কোম্পানিগুলোর সাথে একাধিক বৈঠক করা হয়েছে। বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতির কারণে মূল্য সমন্বয় করতে হয়েছে। তবে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমলে দেশেও তা সমন্বয় করে কমানো হবে।’
তিনি আরো বলেন, বাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের আকস্মিক পরিদর্শন অব্যাহত থাকবে।
পরিদর্শনকালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো: আবদুর রহিম খান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক ফারুক আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র : বাসস



