ব্যবহৃত ও রিকন্ডিশন্ড ইলেকট্রিক ভেহিকেল আমদানি নীতি আদেশে সম্প্রতি নিষিদ্ধ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এটা সবার জন্য ক্ষতিকর। এর সাথে অর্থনীতি জড়িত। তাই এসব গাড়ি আমদানির আদেশ পুনর্বহাল করতে হবে। এর সাথে জনগণের স্বার্থ জড়িত। তাই দাবি আদায়ে প্রয়োজনে রাস্তায় যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিকেলস ইমপোর্ট অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বারভিডা) সভাপতি আব্দুল হক।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শাহবাগে ঢাকা ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুর রহমানের সঞ্চালনায় অন্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
আব্দুল হক বলেন, ‘জাপান থেকে ইলেকট্রিক্যাল ভেহিকেল যুক্তরাজ্যসহ ৭১টি দেশে আমদানি হচ্ছে। তাহলে আমাদের দেশে আমদানিতে সমস্যা কোথায়? হাইব্রিড গাড়ি আমদানির সময়ও বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয়েছিল। সেই গাড়ি এখন দেশে ৭০ শতাংশ ব্যবহৃত হচ্ছে। তাই জাপানের গ্যারান্টিযুক্ত এসব গাড়ি ব্যবহারে সমস্যা থাকার কথা না।’
তিনি আরো বলেন, ‘ইলেকট্রিক্যাল ভেহিকেল ব্যাটারির ১৫-১৬ বছর লাইভ টাইম থাকবে। গত বছর জাপান থেকে ২৯ হাজার ৩৪৯টি ইলেকট্রনিক গাড়ি আমদানি হয়েছে। আমরা সরকারকে রাজস্ব দিতে চাই। জনগণের স্বার্থে এ ব্যবসা করতে চাই। আমদানি করতে চাই। কিছু ব্যবসায়ী চাচ্ছে মনিপলি করে নতুন গাড়ি ব্যবসার নামে পুরো পরিবহন ব্যবসাকে কুক্ষিগত করে রাখতে। আমরা ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইকে সাথে নিয়ে সরকারের কাছে দাবি করছি, জনগণের জন্যই এই গাড়ি আমদানির সুযোগ দেয়া হোক।’
সংগঠনের সাবেক সভাপতি আব্দুল মান্নান চৌধুরী বলেন, ‘একটি পরিবারের জন্য এ গাড়ি আমদানি নিষিদ্ধ হতে পারে না। আমাদের সাথে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু তা আমলে নেয়া হয়নি। তারা গোপন বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা মাঠের খেলোয়াড়। ব্যবসা করতে চাই। সরকারকে সেই পরিবেশ দিতে হবে।’
রিয়াজুর রহমান বলেন, ‘আমরাও গ্রিন বাংলাদেশ গড়তে চাই। কিন্তু কে বা কারা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে ভুল বুঝিয়ে ব্যবহৃত ইলেকট্রিক্যাল ভেহিকেল আমদানি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে। ইউকেসহ পৃথিবীর বহু উন্নত দেশে জাপানে এই ইলেকট্রিক্যাল ভেহিকেল যাচ্ছে। তাই আমরাও গ্রিন বাংলাদেশ গড়তে জনগণকে এসব গাড়ি দিতে চাই।



