১ লাখ ১০ হাজার টন সার আমদানির অনুমোদন

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বেলারুশ থেকে বেসরকারি পর্যায়ে মেসার্স সুফলা ট্রেডিং করপোরেশনের মাধ্যমে ৩০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানি করা হবে। প্রতি মেট্রিক টনের দাম ৩৯৮ দশমিক ৯৭ মার্কিন ডলার। এতে ব্যয় হবে এক কোটি ১৯ লাখ ৬৯ হাজার ১০০ মার্কিন ডলার।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
সার
সার |সংগৃহীত

কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখা ও কৃষকদের জন্য সারের সরবরাহ নিশ্চিত করতে এক লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি, ডিএপি ও ইউরিয়া সার আমদানির তিনটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

পাশাপাশি স্বাস্থ্য, সড়ক, নৌপরিবহন, বাণিজ্য ও জ্বালানি খাতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্রয় প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এসব অনুমোদন দেয়া হয়।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) কমিটির ৪৩তম সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মোট ১৮টি প্রস্তাব উপস্থাপন ও আলোচনা হয়।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে ডিএপিএফসিএল ও টিএসপিসিএলের জন্য ফসফরিক অ্যাসিড আমদানি-সংক্রান্ত দু’টি প্রস্তাব আলোচনা থেকে প্রত্যাহার করা হয়। একইসাথে সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর ২০২৬ সময়ে গ্যাস অয়েল ও জেট এ-১সহ জ্বালানি তেল কেনার কয়েকটি প্রস্তাবে দরদাতাদের প্রিমিয়াম ও রেফারেন্স মূল্য নিয়ে আলোচনা করে পুনরায় সভায় উপস্থাপনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বেলারুশ থেকে বেসরকারি পর্যায়ে মেসার্স সুফলা ট্রেডিং করপোরেশনের মাধ্যমে ৩০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানি করা হবে। প্রতি মেট্রিক টনের দাম ৩৯৮ দশমিক ৯৭ মার্কিন ডলার। এতে ব্যয় হবে এক কোটি ১৯ লাখ ৬৯ হাজার ১০০ মার্কিন ডলার।

এছাড়া মরক্কোর ওসিপি নিউট্রিক্রপস, এস এ থেকে জিটুজি পদ্ধতিতে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। প্রতি মেট্রিক টনের মূল্য ৮৮৯ দশমিক ৩৩ মার্কিন ডলার হিসেবে মোট ব্যয় হবে ৪৩৯ কোটি ৮৬ লাখ ২৬ হাজার ১৮০ টাকা।

অন্যদিকে, সৌদি আরবের সাবিক অ্যাগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানি করা হবে। প্রতি টনের দাম ৩৯১ দশমিক ৬৬ মার্কিন ডলার এবং মোট ব্যয় ১৯৩ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার ৩৬০ টাকা।

সভায় দেশের আটটি বিভাগীয় মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের রোগ নির্ণয় ইমেজিং ব্যবস্থা আধুনিকায়নে ডিজিটাল এক্স-রে, এনজিওগ্রাফি, গ্যাস্ট্রোস্কোপি, কোলোনোস্কোপি, এমআরআই, সিটি স্ক্যানার, ম্যামোগ্রাফি, আল্ট্রাসনোগ্রাফি এবং পিএসিএস/আরআইএস কেনার প্রস্তাবও অনুমোদন দেয়া হয়।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের আওতায় ২০২২ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জের সড়ক ও সেতু পুনর্বাসন ও পুনঃনির্মাণের দু’টি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

এছাড়া বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বেনাপোল স্থলবন্দরে পোর্ট ভবন, পার্কিং, ইয়ার্ড, শেড, গুদাম ও ট্রান্সশিপমেন্ট শেড নির্মাণের দু’টি প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতায় নয় হাজার মেট্রিক টন ছোলা এবং এক কোটি লিটার পরিশোধিত রাইস ব্র্যান তেল কেনার প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়েছে।

জ্বালানি খাতে টোটালএনার্জিস থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে কমিটি। বাসস

Topics