ইলেকট্রিক স্কুলবাস আমদানিতে সব শুল্ক-কর প্রত্যাহার

‘এ সিদ্ধান্তের ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো তুলনামূলক কম খরচে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারবে। এতে একসাথে বেশিসংখ্যক শিক্ষার্থী যাতায়াত করতে পারবে, যানজট কমবে, জ্বালানি সাশ্রয় হবে এবং অভিভাবকদের পরিবহন ব্যয়ও কমবে।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) |সংগৃহীত

শিক্ষার্থী পরিবহনে পরিবেশবান্ধব যান ব্যবহারে উৎসাহ দিতে ইলেকট্রিক স্কুলবাস আমদানিতে সব ধরনের শুল্ক-কর তুলে নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

গত ২৬ এপ্রিল এক আদেশে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ অনুরূপ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী পরিবহনে ব্যবহৃত ইলেকট্রিক বাস আমদানিতে বিদ্যমান কাস্টমস ডিউটি (সিডি), রেগুলেটরি ডিউটি (আরডি), মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট), সম্পূরক শুল্ক (এসডি), আগাম কর (এটি) এবং অগ্রিম আয়কর (এআইটি) সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এনবিআর-এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজে কিংবা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে অন্য কোনো সংস্থা শিক্ষার্থী পরিবহনের উদ্দেশ্যে এ ধরনের বাস আমদানি করলে সবাই এই সুবিধা পাবে। তবে এসব বাসের রং হলুদ হতে হবে এবং গায়ে স্পষ্টভাবে ‘স্কুল/কলেজ/স্টুডেন্ট/বাস/ট্রান্সপোর্ট’ লেখা থাকতে হবে।

শুল্ক-কর ছাড় সুবিধা নিয়ে বাস আমদানির জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে এনবিআরে আবেদন করতে হবে এবং ১০ কার্যদিবসের মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তি করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

এনবিআর-এর মতে, এ সিদ্ধান্তের ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো তুলনামূলক কম খরচে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারবে। এতে একসাথে বেশিসংখ্যক শিক্ষার্থী যাতায়াত করতে পারবে, যানজট কমবে, জ্বালানি সাশ্রয় হবে এবং অভিভাবকদের পরিবহন ব্যয়ও কমবে।

এছাড়া সাধারণ যাত্রী পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত বাস আমদানিতে শুল্ক-কর হ্রাসের বিষয়টিও সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। এ ধরনের সুবিধা চালু হলে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমে গণপরিবহনে ইলেকট্রিক বাসের ব্যবহার বাড়বে, ফলে জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি যাতায়াত ব্যয়ও কমবে। বাসস