বাংলাদেশ গার্মেন্ট বায়িং হাউস অ্যাসোসিয়েশন (বিজিবিএ) ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের জন্য ৬৬টি স্থায়ী (স্ট্যান্ডিং) কমিটি গঠন করেছে। রোববার (৫ জুলাই) রাজধানীর উত্তরার উত্তরা ক্লাবের ইউসিবি লাউঞ্জে আয়োজিত স্ট্যান্ডিং কমিটির পরিচিতি সভায় এ ঘোষণা দেয়া হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিজিবিএ’র সভাপতি মো. আবদুল হামিদ। এতে সংগঠনের সাবেক সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ পাভেল, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এবং নবগঠিত স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বিজিবিএ জানায়, সংগঠনের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং গার্মেন্ট বায়িং হাউস খাতের পরিবর্তিত চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা মোকাবিলায় ৬৬টি স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। সদস্যদের প্রয়োজন ও বর্তমান অগ্রাধিকার বিবেচনায় প্রতিটি কমিটিতে সংশ্লিষ্ট খাতের অভিজ্ঞ ও দক্ষ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাতে তারা বাস্তবভিত্তিক পরামর্শ, উদ্ভাবনী ধারণা ও কার্যকর সমাধান দিতে পারেন।
সংগঠনটির নেতারা জানান, নবগঠিত কমিটিগুলো নীতিগত অ্যাডভোকেসি, বাণিজ্য সহায়তা, কমপ্লায়েন্স, সালিসি, সদস্যসেবা, সক্ষমতা উন্নয়ন, টেকসই উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, ডিজিটাল রূপান্তর এবং বিনিয়োগ উন্নয়নসহ গার্মেন্ট বায়িং হাউস শিল্প ও দেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি খাতের প্রবৃদ্ধি এবং প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করবে।
সভায় বিজিবিএ সভাপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, ৬৬টি স্ট্যান্ডিং কমিটি গঠন সংগঠনকে আরও শক্তিশালী, গতিশীল ও সদস্যকেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়ার অঙ্গীকারের প্রতিফলন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রতিটি কমিটি নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে সংগঠন, সদস্য এবং দেশের আরএমজি রপ্তানি খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিজিবিএ’র সাবেক সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ পাভেল কমিটির সদস্যদের সততা, আন্তরিকতা ও ঐক্যের মনোভাব নিয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সম্মিলিত প্রচেষ্টাই বিজিবিএ’র সাফল্যের মূল ভিত্তি। নবগঠিত কমিটিগুলো সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি দেশের গার্মেন্ট বায়িং হাউস শিল্পের স্বার্থ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ গার্মেন্ট বায়িং হাউস অ্যাসোসিয়েশন (বিজিবিএ) দেশের গার্মেন্ট বায়িং হাউসগুলোর শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন। সদস্যদের স্বার্থ সংরক্ষণ, নৈতিক ব্যবসায়িক চর্চা প্রসার, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহজীকরণ এবং বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের টেকসই উন্নয়ন ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সংগঠনটি কাজ করে যাচ্ছে।



